FAQ New VAT

Demo Title

Demo Content

Demo Title 2

Demo Content 2

উত্তর: মূসক এমন একটি পরোক্ষ কর যা ভোক্তা নিবন্ধিত ব্যক্তির মাধ্যমে পরিশোধ করেন। সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।

ধরা যাক, কোনো একটি পণ্য ১,০০০ টাকায় ক্রয় করে ১,৫০০ টাকায় বিক্রয় করা হলে ঐ পণ্যটি ক্রয়ে ১,০০০ টাকায় ১৩০.৪৩ টাকা মূসক অন্তভুর্ক্ত ছিল।  (হিসাব: ১০০০ দ্ধ ১৫/১১৫ তদ্রম্নপ, পণ্যটি ১,৫০০ টাকায় বিক্রয় করলে এর মধ্যে ১৯৫.৬৫ টাকা মূসক অন্তভুর্ক্ত থাকবে। (হিসাব: ১৫০০ দ্ধ ১৫/১১৫)

পণ্যটি ১,৫০০ টাকায় বিক্রয় করায় প্রকৃত সংযোজন হবে ৫০০ টাকা এবং বিক্রেতা পণ্যটি ক্রয়কালে মূসকসহ মূল্য পরিশোধ করায় ক্রয়স্তরের অন্তভুর্ক্ত মূসক ফেরত নিয়ে বিক্রয়স্তরে প্রকৃত সংযোজনের উপর অর্থাৎ ৫০০ টাকার উপর মূসক পরিশোধ করবেন।

১,৫০০ টাকার উপর পরিশোধযোগ্য মূসক  ১৯৫.৬৫ টাকা

১,০০০ টাকায় অন্তর্ভুক্ত মূসক                ১৩০.৪৩ টাকা

নীট ৫০০ টাকার উপর পরিশোধযোগ্য মূসক ৬৫.২২ টাকা

(হিসাব: ৫০০×১৫/১১৫)

১৫                     ১৫

বিক্রেতার হিসাবের পদ্ধতি         = (১,৫০০ ×       ) Ñ (১,০০০ ×       )

১১৫                   ১১৫

= ১৯৫.৬৫ – ১৩০.৪৩

= ৬৫.২২ টাকা

উত্তর: করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল আমদানি ও সরবরাহের ওপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে। রপ্তানি শূন্যহার বিশিষ্ট।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর বা মূসক ব্যবস্থা হচ্ছে সরবরাহের বা বিক্রয়ের বিপরীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকরণ কর  রেয়াত ভিত্তিক কর ব্যবস্থা। সরবরাহকারী কতৃর্ক পণ্য বা সেবা সরবরাহকালে সরবরাহ মূল্যে অন্তভুর্ক্ত মূসকের বিপরীতে ঐ পণ্য বা সেবার ক্রয়কালে ক্রয়মূল্যের ওপর পরিশোধিত মূসক রেয়াত হিসেবে গ্রহণ করেন এবং নীট মূসক পরিশোধ করেন।  অর্থাৎ বিক্রেতা ক্রেতার নিকট হতে প্রাপ্ত মূল্যের মধ্যেই মূসক আদায় করে ক্রয়স্তরের মূসক রেয়াত নিয়ে নীট মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে থাকেন।

মূল্য সংযোজন কর ভোক্তা কর হওয়ায় পণ্য বা সেবার ওপর প্রযোজ্য সমুদয় মূল্য সংযোজন কর ভোক্তাই পরিশোধ করবেন। মধ্যবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী সবাই প্রত্যেকটি ধাপে বিক্রয়স্তরে সরকারের পক্ষে মূসক আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেবেন।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থায় পণ্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা হলেন মূসকদাতা। সরবরাহকারী বা বিক্রেতা বিক্রয়ের  প্রতিটি স্তরে ক্রেতার নিকট হতে মূসক আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে থাকেন। যেহেতু ভোক্তাই হলেন সর্বশেষ ক্রেতা, সেহেতু চূড়ান্ত মূসকের ভার ভোক্তার ওপরই বর্তায়। সরবরাহকারী বা বিক্রেতা শুধু বিক্রয়স্তরের আদায়কৃত মূসক সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে থাকেন।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত কারণে আপনি মূসক পরিশোধ করবেন:

(ক)     রাষ্ট্রীয় আইন প্রতিপালনে কর প্রদান একজন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

(খ)     দেশের আর্থ-সামাজিক সকল উন্নয়নের কাজ করের টাকা দিয়েই সম্পন্ন হয়। তাই দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ আপনার নাগরিক এবং আইনগত দায়িত্ব।

উত্তর: বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়। ২০১৭ সালের ১ জুলাই হতে নতুন ভ্যাট আইন চালু হবে।

উত্তর: মূসকের আদর্শ হার ১৫%। আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূসকের হার ১৫% এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূসকের হার ০% প্রযোজ্য।

উত্তর: ১৯৯১ সনের মূসক ব্যবস্থার আওতায় মূল্য সংযোজনের করের আদর্শহার ১৫%। সর্বশেষ অর্থবছর (২০১৫-১৬) এর বাজেট অনুযায়ী আদর্শহার ব্যতীত কতিপয় সেবার ক্ষেত্রে সংকুচিত ভিত্তিমূল্য-ভিত্তিক ১০টি নিন্মতর হার বিদ্যমান আছে। যথা:  ১.৫%, ২%, ২.৫%, ৪%, ৫%, ৫.৫%, ৬%, ৭.৫%, ৯% এবং ১০%।

উত্তর: নতুন মূসক ব্যবস্থায় নিবন্ধন সীমা ৮০ লক্ষ টাকা এবং তালিকাভুক্তির সীমা ৩০ লক্ষ টাকা।

উত্তর: সরবরাহের প্রতিটি স্তরে উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণের মাধ্যমে মূসক ব্যবস্থা কাজ করে। করদাতা আইন ও বিধি অনুযায়ী হিসাব সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যেক কর মেয়াদে ক্রয়কৃত উপকরণ বা পণ্যের ওপর পরিশোধিত মূল্য সংযোজন কর রেয়াত হিসাবে গ্রহণ করেন। সরবরাহের প্রতিটি স্তরেই রেয়াত গ্রহণ ও মূল্য সংযোজনের ওপর মূল্য সংযোজন কর প্রদানের মাধ্যমে মূসক চেইন সম্পন্ন হয়।

পর্যায় মূল্য সংযোজন কর আরোপযোগ্য মূল্য মূল্য সংযোজন কর (কর হার ১৫%) রেয়াত নীট মূসক সংযোজন
আমদানি/উপকরণ অর্জন পর্যায়

ধরা যাক,  আমদানি/উপকরণ অর্জন পর্যায়ে মূল্য ১০০০/-

১০০০/- ১৩০.৪৩/- ০/- ১৩০.৪৩/- ১০০০/-
উৎপাদন পর্যায়

ধরা যাক,

উৎপাদন পর্যায়ে উৎপাদনকারীর বিক্রয়মূল্য ১৫০০/-

 

 

১৫০০/-

১৯৫.৬৫/- ১৩০.৪৩/- ৬৫.২২/- ৫০০/-
পাইকারী পর্যায়

ধরা যাক,

পাইকারী পর্যায়ে বিক্রেতার বিক্রয়মূল্য ২০০০/-

২০০০/- ২৬০.৮৭/- ১৯৫.৬৫/- ৬৫.২২/- ৫০০/-
খুচরা পর্যায়

ধরা যাক,

খুচরা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ২৫০০/-

২৫০০/- ৩২৬.০৯/- ২৬০.৮৭/- ৬৫.২২/- ৫০০/-
ভোক্তার পরিশোধিত কর (চূড়ান্ত মূল্য ২৫০০/- এর উপর) ৩২৬.০৯/-

উত্তর: আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত পণ্য বা সেবা যদি আপনার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হয়, তাহলে আইন অনুসারে আপনার ব্যবসায়ে মূসকের বাধ্যবাধকতা উদ্ভব হবে না।

তাছাড়া আপনার ব্যবসায়ের বাৎসরিক টার্নওভার এর ভিত্তিতে ব্যবসায়ের মূসক প্রযোজ্যতা নির্ধারণ করতে পারবেন (প্রশ্ন ২.২ দেখুন)। তবে আপনার ব্যবসায়ের বাৎসরিক টার্নওভার যাই হোক না কেন আপনি চাইলে মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করে মূসক প্রদান করতে পারবেন।

উত্তর: নতুন মূসক আইনের আওতায় কর বলতে মূসক, টার্নওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক এবং বকেয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে সুদ, জরিমানা ও অর্থদণ্ডকে বোঝাবে।

উত্তর: ক্রয়ের সময় বিক্রেতার নিকট হতে ক্রয় চালান বুঝে নেওয়াই একজন ভোক্তার দায়িত্ব। কেননা তিনি যদি ঠিকমতো মূসক চালান বুঝে নেন তাহলে এই চালানে অন্তভুর্ক্ত মূসক সরকারি কোষাগারে যথাযথভাবে জমা নিশ্চিত করা যাবে।

উত্তর: মূসক চালানপত্র প্রদান করা যেমন একজন বিক্রেতার দায়িত্ব, তেমনি চালানপত্র ঠিকভাবে বুঝে নেওয়াও একজন ক্রেতার দায়িত্ব। কোনো কারণে বিক্রেতা মূসক চালানপত্র দিতে না চাইলে তিনি এ দায়িত্ব সম্পর্কে বিক্রেতাকে অবহিত করবেন, কেননা ঠিকমতো মূসক চালান বুঝে নেওয়া হলে চালানে অন্তভুর্ক্ত মূসক সরকারি কোষাগারে যথাযথভাবে জমা হবে। এর পরেও বিক্রেতা মূসক চালানপত্র দিতে না চাইলে তিনি মূসক কতৃর্পক্ষকে বিষয়টি অবহিত করতে পারেন অথবা নিকটবর্তী মূসক কতৃর্পক্ষকেও জানাতে পারবেন। এছাড়াও তিনি facebook.com/VATOnlineBD পেইজে বা কন্টাক্ট সেন্টার নম্বর ১৬৫৫৫ এ অভিযোগ করতে পারেন।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থায় যেকোনো আমদানিকারক, রপ্তানিকারক বা করযোগ্য সরবরাহ প্রদানকারীকে মূসক ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত হতে হয়। মূসক ব্যবস্থার সাথে এই সম্পৃক্তি সম্পন্ন হয়  নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির মাধ্যমে। তাকে মূসক আইনের আওতায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক পরিচিতি নম্বর গ্রহণ করে মূসক আইনের প্রতিপালন করতে হয়। মূসক আইনের আওতায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক পরিচিতি নম্বর গ্রহণ করাকে  নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি বলা

উত্তর: অর্থনৈতিক কার্যক্রমের করযোগ্য টার্নওভার প্রতি ১২ (বার) মাস সময়ে ৮০ লক্ষ টাকা অতিক্রম করলে নিবন্ধন এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের করযোগ্য টার্নওভার প্রতি ১২ (বার)  মাস সময়ে ৩০ লক্ষ টাকা অতিক্রম করলে তালিকাভুক্তি গ্রহণ করতে হবে। নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির আবশ্যকতা সৃষ্টি হওয়ার দিন হতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে আপনাকে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি গ্রহণ করতে হবে। নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি পরবর্তী মাসের ১ তারিখ হতে কার্যকর হবে।

উত্তর: কোনো ব্যক্তি অর্থনৈতিক কার্যক্রমের টার্নওভারের ওপর ভিত্তি করে যে ব্যবসায়িক পরিচিতি নম্বর গ্রহণ করেন তাই ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা। এ সনাক্তকরণ সংখ্যার মাধ্যমে ব্যক্তির অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রকৃতি ও কার্যক্রম বোঝা যায় না। ৯ অংকের একটি সুনির্দিষ্ট সংখ্যা যা দ্বারা একজন করদাতাকে চিহ্নিত করা হয়। এনবিআর-এর ওয়েবসাইট হতে এ নম্বরটি দিয়ে করদাতার ব্যবসার পরিস্থিতি জানা যাবে।

উত্তর: আপনার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সীমা বার্ষিক টার্নওভারের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলে ফরম মূসক-২.১ এ কমিশনার বরাবর আবেদন করতে হবে। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর মূসক সিস্টেম হতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে আপনার অনুকূলে ফরম মূসক-২.৩ এ বিআইএন সংবলিত একটি নিবন্ধন সনদপত্র/টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি সনদপত্র ইস্যু করা হবে। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে তৎক্ষণিক ভাবেই পাওয়া যাবে।

উত্তর: বিআইএন-এর মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ীর ব্যবসার আইনগত বৈধতা তৈরি হয়। বিআইএন ধারী নিেন্মবর্ণিত সুবিধাদি গ্রহণ করতে পারবেন:

l   ব্যাগেজ আমদানি ব্যতীত অন্য সকল আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম;

l   নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির নামে ভূমি বা ভবন নিবন্ধন করা;

l   আমদানি নিবন্ধন সনদ ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ গ্রহণ;

l   উৎসে কর্তনকারী সত্তায় কোনো সরবরাহ প্রদান;

l   কোনো টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করা;

l   কোনো সংস্থায় তালিকাভুক্ত হওয়া;

l   বন্ড লাইসেন্স প্রাপ্তি;

l   নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির অনুকূলে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন।

উত্তর: কোনো করদাতা সংশ্লিষ্ট এক বছরের সকল কর মেয়াদের মূসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র দাখিল করলে ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম হতে মূসক-১৮.৫ ফরমে করদাতাকে যে স্বীকৃতিপত্র প্রদান করা হবে তাকে মূসক সম্মাননাপত্র বলে।

উত্তর: সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের সকল করমেয়াদের মূসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ করলেই ঐ অর্থবছর শেষের পরবর্তী এক মাসের মধ্যে মূসক-১৮.৫ ফরমে একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে। এর জন্য কোনো আবেদনের প্রয়োজন নেই। ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তা প্রেরণ করবে। এই সম্মাননাপত্রের কার্যকারিতা পরবর্তী এক বছরের জন্য বলবৎ থাকবে।

উত্তর: একটি সম্মাননাপত্রের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি মূসক আইনের আওতায় নিন্মবর্ণিত সুবিধাদি গ্রহণ করতে পারবেন, যথা:

l   আমদানি নিবন্ধন সনদ ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নবায়ন;

l   উৎসে কর্তনকারী সত্তার নিকট সরবরাহ প্রদান;

l   টেন্ডারে অংশগ্রহণ;

l   কোনো সংস্থার তালিকাভুক্তি গ্রহণ;

l   বন্ড লাইসেন্স নবায়ন;

l   ব্যাংক ঋণ অনুমোদন / নবায়ন;

l   স্থাবর সম্পত্তি নিবন্ধন; ইত্যাদি।

এছাড়াও, করদাতা প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন সামাজিক সুবিধা যেমন, বিভিন্ন হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তোরাঁ, সুপার শপ, ব্রান্ডেড শপ, বিমান টিকিট ইত্যাদিতে মূল্যছাড় এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার, ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে।

উত্তর: ১২ (বার) মাস সময়ে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতকৃত, আমদানিকৃত বা ক্রয়কৃত পণ্যের সরবরাহ বা করযোগ্য সেবা প্রদান হতে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ যোগ করে আপনার ব্যবসায়ের বাৎসরিক টার্নওভার হিসাব করবেন।

নিবন্ধন গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের বাৎসরিক টার্নওভার হিসাবের পদ্ধতি:

l    চলমান ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে: পূর্ববর্তী মাসের (করমেয়াদের) শেষ দিন হতে বিগত ১২ মাসের মোট টার্নওভার হিসাব করে।

ধরা যাক, জানুয়ারি ২০১৭ মাস চলমান থাকলে পূর্ববর্তী মাসের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ হতে বিগত ১২ মাসের হিসেবে ০১ জানুয়ারি ২০১৬ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সময়কালের ব্যবসায়িক টার্নওভার হিসাব করতে হবে।

l    নতুন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে: (ক) প্রকৃত টার্নওভারের ভিত্তিতে পূর্ববর্তী মাসের (করমেয়াদের) প্রথম দিন হতে পরবর্তী ১২ মাসের মোট টার্নওভার প্রাক্কলন করে।

অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন ব্যবসাকে নিবন্ধিত করতে পূর্ববর্তী মাসের প্রথম দিন হতে পরবর্তী ১২ মাসের মোট টার্নওভার প্রাক্কলন করতে হবে।

উদাহরণ: ধরা যাক, জানুয়ারি ২০১৭ মাস আপনি নতুন ব্যবসা চালু করতে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় পূর্ববর্তী মাসের প্রথম দিন ০১ ডিসেম্বর ২০১৬ হতে পরবর্তী ১২ মাসের হিসাবে ০১ ডিসেম্বর ২০১৬ হতে ৩০ নভেম্বর ২০১৬ সময়কালের ব্যবসায়িক টার্নওভার হিসাব করতে হবে।

(খ) প্রাক্কলিত টার্নওভারের ভিত্তিতে নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তি যে মাসে (করমেয়াদে) তার নিবন্ধনের সম্ভাব্যতা যাচাই করবেন তিনি তার পরবর্তী মাসের প্রথম দিন হতে পরবর্তী  ১২ মাসের মোট টার্নওভার প্রাক্কলন করে যদি তা নিবন্ধনসীমা অতিক্রম করবে বলে মনে করেন তাহলে মূসকের জন্য নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে।

উত্তর: নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির আবশ্যকতা উদ্ভূত হলে আপনাকে ফরম মূসক-২.১ এ সংশ্লিষ্ট কমিশনারের নিকট নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে।

কমিশনার প্রাপ্ত আবেদনের তথ্য যথাযথ সাপেক্ষে ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে আপনাকে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত করবেন এবং মূসক সিস্টেম আপনার অনুকূলে মূসক-২.৩ ফরমে  ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা সংবলিত একটি নিবন্ধন বা টার্নওভার কর তালিকাভুক্তিপত্র জারি করবেন। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি সনদ পাওয়া যাবে।

উত্তর: মূসক ব্যবস্থায় গ্রম্নপ অব কোম্পানির কোনো ধারণা নেই। ফলে গ্রম্নপ অব কোম্পানির নামে নিবন্ধনেরও কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি কোম্পানি এক একটি আলাদা আইনগত সত্তা বিধায় প্রতি কোম্পানির জন্যই একটি করে নিবন্ধন লাগবে।

উত্তর: কমিশনার যদি যথাযথ অনুসন্ধানের পর মনে করেন যে আপনি নিবন্ধনযোগ্য তাহলে তিনি স্ব-উদ্যোগে আপনাকে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত করতে পারেন।

উত্তর: অব্যাহতিপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।

উত্তর: নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির সময় প্রদত্ত তথ্যের কোনোরূপ পরিবর্তন করতে চাইলে আপনি নিজেই তা করতে পারবেন। অনলাইনে আপনার একাউন্টে লগইন করে তা পরিবর্তন করতে পারবেন।

উত্তর: ব্যবসায়ের স্থান পরিবর্তন করার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে ফরম মূসক-২.৭ ফরমে কমিশনার বরাবর আবেদন করে আবেদনের যথার্থতা সাপেক্ষে ব্যবসায়ের স্থান পরিবর্তন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানান্তরিত হবে।

উত্তর: নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির সময় কোনো দলিল দাখিলের প্রয়োজন হবে না। মূসক-২.১ ফরম (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফরম মূসক-২.২) পূরণ করে মূসক নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির আবেদন করতে হবে।

উত্তর: মূসক আইনের আওতায় নিবন্ধনের জন্য ভৌগোলিক কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। নতুন ব্যবস্থায় নিবন্ধন গ্রহণের জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা এধরনের কোনো দলিলাদিরও প্রয়োজন নেই। পোস্টাল কোডের উপর ভিত্তি করে নিবন্ধন প্রদান করা হবে। ফলে বাংলাদেশের যেকোনো স্থান হতেই নিবন্ধন গ্রহণ করা যাবে।

উত্তর: হ্যাঁ, পারবেন। বার্ষিক টার্নওভার সীমার ওপর ভিত্তি করে অর্থাৎ তালিকাভুক্ত বার্ষিক টার্নওভারের সীমা ৮০ লক্ষ টাকার ওপর হলে তালিকাভুক্তি হতে নিবন্ধনে এবং নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভারের সীমা ৮০ লক্ষ টাকা বা তার কম কিন্তু ৩০ লক্ষ টাকার ওপর হলে নিবন্ধন হতে তালিকাভুক্তিতে পরিবর্তন করতে পারবেন।

উত্তর: নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট ফরমগুলো নিন্মরূপ:

 

ক্র: নং বিবরণ ফরম নং
কেন্দ্রীয় নিবন্ধন / তালিকাভূক্তি ২.১
শাখা নিবন্ধন ২.২
মূল্য সংযোজন কর নিবন্ধন সনদপত্র/ টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি সনদপত্র ২.৩
মূল্য সংযোজন কর নিবন্ধন/টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি বাতিল ও কর-প্রকৃতি পরিবর্তনের আবেদনপত্র ২.৪
মূল্য সংযোজন কর নিবন্ধন/টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি বাতিলের  জন্য  চূড়ান্ত দাখিলপত্র ২.৫
নিবন্ধন/তালিকাভুক্তি পরবর্তী তথ্যের পরিবর্তন বা নূতন তথ্য সংযোজন  কমিশনারকে অবহিতকরণ ২.৬
ব্যবসায়ের স্থান পরিবর্তনের আবেদন ২.৭

উত্তর: নিন্মবর্ণিত স্থানে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন দাখিল করতে হবে:

l      অনলাইন বোর্ডের ওয়েব পোর্টালে

l      বোর্ড পরিচালিত কেন্দ্রীয় তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে

l      আবেদনকারীর জন্য সুবিধাজনক হয় এমন কোনো কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট বা বিভাগীয় দপ্তরে

l      বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কমিশনার কতৃর্ক নির্ধারিত কোনো সেবা কেন্দ্রে

l      বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কমিশনার কতৃর্ক পরিচালিত কোনো মেলায় এবং

l      বোর্ড কতৃর্ক আদেশ দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো স্থানে।

উত্তর: হ্যাঁ, আছে। নিবন্ধন সনদপত্র বা টার্নওভার কর সনদপত্র বা তার সত্যায়িত অনুলিপি এমনভাবে প্রদর্শন করবেন যাতে তা সহজে সকলের দৃষ্টিগোচর হয়।

উত্তর: আপনার ব্যবসায়ের নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি বাতিলের পরিস্থিতি ঘটলে মূসক-২.৪ ফরম-এ কমিশনার বরাবর আবেদন করতে পারবেন। নিবন্ধন বাতিলের কারণ যুক্তিসঙ্গত মনে করলে কমিশনার নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করে ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত দাখিলপত্র প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করবেন। চূড়ান্ত দাখিলপত্র প্রেরণের ১৫ দিনের মধ্যে তথ্যাদি যথাযথ প্রাপ্তিসাপেক্ষে, কমিশনার নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি বাতিল করবেন।

উত্তর: পুরাতন ও নতুন আইনে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত পার্থক্যগুলো হলো:

মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ মূল্য সংযোজন কর ও

সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২

·         নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির মূল ভিত্তি হলো ভৌগোলিক অবস্থান

·         একটি কোম্পানির একাধিক শাখা ইউনিট থাকলে সাধারণভাবে একাধিক নিবন্ধন প্রযোজ্য

·         একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এক শাখা হতে অন্য শাখায় উপকরণ বা উৎপাদিত পণ্য স্থানান্তরের সময় সরবরাহ দেখিয়ে কর পরিশোধ করতে হয় বিধায় কৃত্রিম সরবরাহ সৃষ্টি করতে হয়

·         এক প্রতিষ্ঠানের একাধিক নিবন্ধন থাকায় প্রতিটি ইউনিট-ই আলাদা আলাদা ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং প্রত্যেক শাখাকেই মূসক পরিশোধসহ আলাদা হিসাব রাখতে হয়, আলাদা অডিটও হয়

·         ১১ ডিজিটের বিআইএন ইস্যু করা হতো যা হতে কমিশনারেট, সার্কেল বোঝা যায়

·         ব্যবসায়ের ঠিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে বিআইএন পরিবর্তন হয়

·         নিবন্ধনের জন্য অনেক রকম দলিলাদির প্রয়োজন ছিল

·         নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি প্রদান করা হতো বিভাগীয় দপ্তর হতে।

·         নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির মূল ভিত্তি হলো প্রতিষ্ঠানের হিসাব-রক্ষণ পদ্ধতি

·         একটি কোম্পানির একাধিক শাখা ইউনিট থাকলেও সাধারণভাবে একটি নিবন্ধন প্রযোজ্য

·         একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এক শাখা হতে অন্য শাখায় উপকরণ বা উৎপাদিত পণ্য স্থানান্তরের সময় তাকে সরবরাহ হিসেবে বিবেচনা করতে হয়না  বিধায় কৃত্রিম সরবরাহ সৃষ্টি করতে হয় না

·         এক প্রতিষ্ঠানের একাধিক শাখা ইউনিটের জন্য একটিই নিবন্ধন থাকায় প্রতিটি ইউনিট আলাদা আলাদা ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় না এবং প্রত্যেক শাখাকেই মূসক পরিশোধসহ আলাদা হিসাব রাখতে হয় না, শুধু শাখার জন্য প্রযোজ্য হিসাবরক্ষণ করতে হয়

·         ৯ ডিজিটের বিআইএন ইস্যু করা হয়- যা হতে কমিশনারেট, সার্কেল বোঝা যায় না

·         ব্যবসায়ের ঠিকানা পরিবর্তন হলেও বিআইএন পরিবর্তন হয় না

·         নিবন্ধনের জন্য কোনো রকম দলিলাদির প্রয়োজন নেই

·         নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি প্রদান করা হয় কমিশনারেট দপ্তর হতে।

উত্তর: মূসক নিবন্ধন সনদপত্র বা টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি সনদ হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম থেকে আবার প্রিন্ট করে নিতে পারেন অথবা আপনার ইতোপূর্বে প্রেরিত ইমেইল হতেও তা প্রিন্ট করতে পারেন। আপনি অনলাইনে বা কাগজে যেভাবেই আবেদন করেন না কেন অনলাইন সিস্টেম থেকে নিবন্ধন তৈরি হবে।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১-এর অধীন নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তিগণকে নতুন আইনের আওতায় পুনঃনিবন্ধন বা পুনঃতালিকাভুক্ত হতে হবে।

উত্তর: হ্যাঁ, আছে। অনলাইন ভিত্তিক আবেদন-ই হবে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির প্রধান মাধ্যম। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবেই নিবন্ধন পেয়ে যাবেন।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত পদ্ধতিতে অনলাইনে নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন-

ধাপ-১: প্রথমেই www.nbr.gov.bd তে যান। অনলাইন মূসক নিবন্ধন নির্বাচন করুন। আপনি ভ্যাট অনলাইন পোর্টালে পৌঁছে যাবেন।

ধাপ-২: সেখানে প্রথমে নিবন্ধন বা তলিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তির নামে টংধৎ ওউ এবং চধংংড়িৎফ তৈরি করুন।

ধাপ-৩: Usar ID এবং Password ব্যবহার করে ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে প্রবেশ করুন। নিবন্ধন নির্বাচন করে মূসক-২.১ ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে দাখিল করুন।

ধাপ-৪: দাখিল সঠিক হলে মূসক নিবন্ধন বা টার্নওভার কর তালিকাভুক্তি সনদ তৈরি হবে। আপনি সিস্টেম থেকে তা পেয়ে যাবেন। তা আপনার ইমেইলেও প্রেরণ করা হবে।

বি.দ্র.: অনলাইন আবেদনের পূর্বে এনবিআর-এর ওয়েবসাইট হতে এ সংক্রান্ত ব্যবহারিক গাইড পড়ে নিন। এছাড়াও এ সংক্রান্ত ভিডিও দেখাসহ বিস্তারিত জানতে www.nbrelearning.gov.bd হতে প্রশিক্ষণও গ্রহণ করতে পারেন।

উত্তর: বাংলাদেশে প্রযোজ্য কর হারগুলো নিন্মরূপ:

  • বাংলাদেশে প্রযোজ্য মূসকের আদর্শ হার ১৫%;
  • রপ্তানি ০%;
  • ৩০ লক্ষ টাকার ওপর হতে ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার সম্পন্ন করদাতার ওপর প্রযোজ্য টার্নওভার কর ৩% (তাদের ক্ষেত্রে মূসক প্রযোজ্য নয়);
  • বিলাসপণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে বিভিন্ন হারে সম্পূরক শুল্ক;
  • অন্য কোনো নিন্মহার নেই।

উত্তর: সকল করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়।

উত্তর: মূসক পরিশোধ করেন-

  • আমদানির ক্ষেত্রে – আমদানিকারক;
  • বাংলাদেশে করযোগ্য সরবরাহ প্রদানের ক্ষেত্রে – সরবরাহকারী;
  • নিলামকারী কতৃর্ক পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে – নিলামকারী;
  • উৎসে কর্তনের ক্ষেত্রে – উৎসে কর্তনকারী;
  • সেবা আমদানির ক্ষেত্রে – সেবা গ্রহণকারী।

উত্তর: আবাসিক ব্যক্তি কর্তৃক সরবরাহ অথবা অনাবাসিক ব্যক্তি কর্তৃক বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট স্থান হতে প্রদত্ত সরবরাহ বাংলাদেশে প্রদত্ত হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

উত্তর: যে ব্যক্তি আবাসিক নহেন তিনি-ই অনাবাসিক ব্যক্তি। এ ক্ষেত্রে আবাসিক ব্যক্তি হলেন তিনি, যিনি-

  • স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশে বসবাস করেন; বা
  • চলতি বর্ষপুঞ্জির ১৮২ দিনের অধিক বাংলাদেশে অবস্থান করেন; বা
  • কোনো বর্ষপুঞ্জির ৯০ দিনের অধিক বাংলাদেশে অবস্থান করেন এবং উক্ত বর্ষপুঞ্জির অব্যবহিত পূর্ববতীর্ চার বছরের মধ্যে ৩৬৫ দিনের অধিক বাংলাদেশে অবস্থান করেন

কোনো অনাবাসিক ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট স্থান হতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে তিনি একজন মূসক এজেন্ট নিয়োগ করে তার অর্থনৈতিক কার্যক্রম বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন।

উত্তর: মূসক এজেন্ট-এর নিন্মবর্ণিত এক বা একাধিক যোগ্যতা থাকতে হবে:

  • আইনের ধারা ১৩০ এর অধীন নিযু্‌ক্ত মূসক পরামর্শক;
  • ইন্সটিটিউট বা চার্টার্ড একাউন্টটেন্ড অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এর নিবন্ধিত সদস্য; বা
  • ইন্সটিটিউট অব কস্ট অ‍্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্ড অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এর নিবন্ধিত সদস্য; বা
  • বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর সদস্য হিসেবে নিবন্ধিত কোনো আইনজীবী; বা
  • সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার নিেন্ম নহেন, মূল্য সংযোজন কর বিভাগের এমন কোনো অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা; বা
  • এফবিসিসিআই কতৃর্ক মনোনীত বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি।

উত্তর: অনাবাসিক ব্যক্তি একজন মূসক এজেন্ট নিয়োগ করতে চাইলে অনাবাসিক ব্যক্তি উক্ত মূসক এজেন্টের যাবতীয় তথ্য অনলাইনে মূসক-৩.৪ ফরম-এ পূরণ করে কমিশনার বরাবর প্রদান করবেন। এ প্রক্রিয়াই মূসক এজেন্ট নিয়োগের আবেদন হিসেবে বিবেচিত হবে। সব তথ্য ঠিক থাকলে মূসক সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনে এজেন্টকে সম্মতি প্রদানের লক্ষ্যে নোটিশ প্রদান করবেন। মূসক এজেন্ট সম্মতি জ্ঞাপন করলে তাহার নিয়োগ কার্যকর হবে। সব তথ্য ঠিক থাকলে সংশ্লিষ্ট কমিশনার পুরো প্রক্রিয়ায় অবহিত হবেন।

উত্তর: একজন মূসক এজেন্ট অনাবাসিক ব্যক্তির পক্ষে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অধীন নিন্মরূপ কার্যাবলী সম্পাদন করবেন, যথা:

  • নিবন্ধন;
  • দাখিলপত্র প্রদান;
  • কর পরিশোধ;
  • আমদানি রপ্তানি;
  • নিরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রমসহ মূসক সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত সরবরাহসমূহ শূন্যহার বিশিষ্ট সরবরাহ হবে:

  • বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তির সরবরাহ;
  • রপ্তানির নিমিত্তে পণ্যের সরবরাহ;
  • বাংলাদেশের বাহিরে প্রদত্ত সেবার সরবরাহ;
  • অস্থায়ীভাবে আমদানিকৃত পণ্য (উদ্দেশ্য সম্পন্ন হলে পণ্যটি ফেরত পাঠাতে হবে);
  • আন্তর্জাতিক পরিবহণে সরবরাহকৃত সেবা।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত সেবার সরবরাহ শূন্যহার বিশিষ্ট হবে:

  • বাংলাদেশের বাহিরে প্রদত্ত সেবার সরবরাহ;
  • আন্তর্জাতিক পরিবহনে সরবরাহকৃত সেবা;
  • অস্থায়ীভাবে আমদানিকৃত পণ্যের মেরামত, সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবর্তন ইত্যাদি কাজে প্রদত্ত সেবা;
  • মেরামত বা প্রতিস্থাপনের ওয়ারেন্টিযুক্ত পণ্যের অনুকূলে প্রদত্ত সেবা সরবরাহ;
  • কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্টিযুক্ত কোনো পণ্য আমদানি করলে, ওয়ারেন্টি সময়ের মধ্যে কোনো মেরামত বা প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যে রপ্তানিকারক দেশে প্রেরণ করা হলে এ সংক্রান্ত সকল সেবা শূন্যহার বিশিষ্ট হবে।

উত্তর: নিেন্ম বর্ণিত সরবরাহসমূহ মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত হবে:

  • প্রথম তফসিলে উল্লিখিত কোনো সরবরাহ বা আমদানি; এবং
  • অব্যাহতিপ্রাপ্ত সরবরাহ গ্রহণের অধিকার বা ভবিষ্যৎ ক্রয় বা বিক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত সরবরাহ।

অর্থাৎ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত পণ্য বা সেবার সরবরাহ অব্যাহতিপ্রাপ্ত হবে। প্রথম তফসিলে মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, ঔষধ, শিক্ষা ইত্যাদি), কৃষি, স্থাবর সম্পত্তি, সংস্কৃতি ইত্যাদি সংক্রান্ত অব্যাহতির তালিকা দেওয়া আছে।


 

উত্তর: প্রথম তফসিলে উল্লিখিত পণ্য বা সেবার আমদানি ব্যতীত সকল আমদানির ওপর মূসক প্রযোজ্য। প্রথম তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত মৌলিক খাদ্য, জীবন রক্ষাকারী ঔষধ, নির্ধারিত শিক্ষা সংক্রান্ত পণ্য বা সেবার আমদানি মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত।

পণ্য বা সেবা আমদানির উপর (প্রথম তফসিলে উল্লিখিত পণ্য বা সেবা ব্যতীত) আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য হোক বা না হোক মূসক প্রযোজ্য হবে।

উত্তর: আমদানি শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্যের সাথে সকল কর যোগ করে (মূসক এবং আগাম আয়কর ব্যতীত) মূসক আরোপযোগ্য মূল্য নিধার্রণ করতে হবে।

আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ব্যতীত অন্য কোনো কর আরোপিত না থাকলে আমদানি শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্যই হবে ঐ পণ্য বা সেবার মূসক আরোপযোগ্য মূল্য।

মূসক আরোপযোগ্য মূল্যের ওপর সরাসরি ১৫% গুণ করে আমদানির ক্ষেত্রে মূসক নিরূপণ করতে হবে।

  • আমদানি স্তরে আমদানি শুল্কের পাশাপাশি আমদানির প্রকৃতি অনুযায়ী ক্ষেত্রবিশেষ সম্পূরক শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ইত্যাদি প্রযোজ্য হয়।

আমদানি স্তরে মূসক নিরূপণ পদ্ধতি:

মূসক আরোপযোগ্য মূল্য = সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + সম্পূরক শুল্ক

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য = শুল্কায়নযোগ্য মূল্য  + আমদানি শুল্ক +

রেগুলেটরি ডিউটি + অন্যান্য শুল্ক

 

আগাম কর আরোপযোগ্য মূল্য = মূসক আরোপযোগ্য মূল্য

 

উদাহরণ: কোনো পণ্যের আমদানির ওপর ২৫% আমদানি শুল্ক (CD), ৩% রেগুলেটরি ডিউটি (RD), ২০% সম্পূরক শুল্ক (SD), ১৫% মূসক (VAT), ৩% আগাম কর (AT), ৫% আগাম আয়কর (অওঞ) আরোপিত আছে। আমদানি পর্যায়ে পণ্য চালানটির শুল্কায়নযোগ্য মূল্য (AV) ৫০,০০০.০০ টাকা। আমদানি পর্যায়ে কোনো করের জন্য ভিত্তিমূল্য এবং প্রযোজ্য শুল্ক-করের পরিমাণ নির্ণয় করা যাক।

কর ভিত্তিমূল্যের সূত্র ভিত্তিমূল্য  হার শুল্ক-কর
আমদানি শুল্ক AV ৫০,০০০.০০ ২৫% ১২,৫০০.০০
রেগুলেটরি ডিউটি AV ৫০,০০০.০০ ৩% ১,৫০০.০০
সম্পূরক শুল্ক AV+CD+RD ৬৪,০০০.০০ ২০% ১২,৮০০.০০
মূসক AV+CD+SD+RD ৭৬,৮০০.০০ ১৫% ১১,৫২০.০০
আগাম কর AV+CD+SD+RD ৭৬,৮০০.০০ ৩% ২,৩০৪.০০
আগাম আয়কর AV ৫০,০০০.০০ ৫% ২,৫০০.০০
মোট শুল্ক-কর ৪০,৬২৪.০০

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৩০ অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তিকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আগাম যে মূসক বা টার্নওভার কর প্রদান করতে হবে তাকে আগাম কর বলা হয়।

করযোগ্য আমদানি মূল্যের সাথে ৩ (তিন) শতাংশ হারে আগাম কর প্রদেয় হবে।

আগাম কর উপকরণ কর হিসেবে রেয়াতযোগ্য নয় তবে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট করমেয়াদে দাখিলপত্র  হ্রাসকারী সমন্বয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।

ধরা যাক, কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি আমদানিকালে অন্যান্য করের সাথে ২৫০০০/- আগাম কর পরিশোধ করেছেন। তাহলে ঐ ব্যক্তি ঐ করমেয়াদে বা তৎপরবর্তী দুই করমেয়াদের মধ্যে প্রদেয় কর হতে উক্ত পঁচিশ হাজার টাকা হ্রাসকারী সমন্বয় হিসেবে বিয়োগ করবেন।

উত্তর: অনিবন্ধিত আমানিকারক আমদানিকৃত পণ্যের সর্বশেষ ভোক্তা হলে পরিশোধিত আগামকর ফেরত পাওয়ার যোগ্য হবেন।

আমদানিকারকে আগাম কর পরিশোধের ৬০ দিনের মধ্যে ফেরত পাওয়ার জন্য ফরম মূসক-৪.১ এ নিকটবর্তী যেকোনো কমিশনারের নিকট অনলাইনে আবেদন করবেন। আবেদন যথাযথ হলে কমিশনার ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত প্রদান করে ফেরতের অর্থ আবেদনকারীকে চেকে প্রদান অথবা, তার ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের ব্যবস্থা করবেন। আগাম করের অর্থ ফেরতের আবেদন শুধু অনলাইনেই করা যাবে।

উত্তর: সরবরাহের প্রকৃত মূল্যই হবে মূসক হিসাবের জন্য ভিত্তি মূল্য।

  • মূল্য হবে করযোগ্য সরবরাহের পণ হতে উক্ত পণের কর ভগ্নাংশের সমপরিমাণ অর্থ বিয়োগ করে যে মূল্য পাওয়া যাবে-

– আমদানিকৃত সেবার ক্ষেত্রে সরবরাহ মূল্য হবে করযোগ্য সরবরাহ মূল্য

– অন্যান্য ক্ষেত্রে সরবরাহ মূল্য হবে ন্যায্য বাজার মূল্য হতে কর ভগ্নাংশ বিয়োগ করে প্রাপ্ত মূল্য।

  • সকল মূল্য হবে মূসকসহ (VAT Inclusive)

– কর-ভগ্নাংশ দিয়ে গুণন করে মূসকের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে

উদাহরণ: ধরা যাক একটি রেস্তোরাঁর ব্যবসায়ী খাবারের মূল্য ৩০০ টাকা।

সে ক্ষেত্রে মূসকের পরিমাণ হবে: ৩০০দ্ধকর-ভগ্নাংশ = ৩০০×১৫/১১৫ = ৩৯.১৩ টাকা।

– সরবরাহের মূল্য হবে (৩০০ – ৩৯.১৩) টাকা = ২৬০.৮৭ টাকা।

উত্তর: করযোগ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে নিন্মবর্ণিত যে কোনো কার্যাবলীর মধ্যে যেটি সবার আগে ঘটবে তখন মূসক প্রদেয় হবে-

সাধারণ সরবরাহের ক্ষেত্রে-

  • যখন সরবরাহ প্রদান করা হয়;
  • যখন চালানপত্র ইস্যু করা হবে;
  • যখন সরবরাহের আংশিক বা সমুদয় মূল্য গ্রহণ করা হবে।
  • আনুক্রমিক বা পর্যাবৃত্ত সরবরাহের ক্ষেত্রে-
  • প্রত্যেকটির বিপরীতে পৃথক চালানপত্র ইস্যু করা হয়;
  • প্রত্যেকটির বিপরীতে পণ্যের আংশিক বা সমুদয় গ্রহণ করা হবে;
  • মূল্য প্রদেয় হয়;
  • যখন প্রদেয়র পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়।

 

উত্তর: প্রতি করমেয়াদের পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে কর পরিশোধ করতে হবে।

উত্তর: প্রতি করমেয়াদের পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে কর পরিশোধ করতে হবে।

উত্তর: আনুক্রমিক বা পর্যাবৃত্ত সরবরাহ হলো:

  • কোনো চুক্তির অধীন আনুক্রমিক বা পর্যাবৃত্তভাবে অর্থ পরিশোধের শর্তাধীনে প্রদত্ত কোনো সরবরাহ;
  • কোনো লিজ, হায়ার পারচেজ (ফাইন্যান্স লিজসহ) এর অধীন প্রদত্ত কোনো সরবরাহ;
  • নির্মাণ বা প্রকৌশলগত কার্যক্রম, ভবন পুনর্গঠন বা বর্ধিতকরণের কাজে প্রত্যক্ষভাবে প্রদত্ত কোনো সরবরাহ।

উত্তর: একক ও বহুবিধ সরবরাহের ক্ষেত্রে নিন্মবর্ণিত উপায়ে কর আরোপিত হবে:

  • প্রতিটি সরবরাহ স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন বলে গণ্য হবে;
  • একক সরবরাহের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সরবরাহকে কৃত্রিমভাবে বিভাজন করা যাবে না;
  • সরবরাহটি এক বা একাধিক উপাদান সমন্বয়ে গঠিত হলে তা একক সরবরাহ হবে এবং অন্যান্য উপাদান উক্ত একক সরবরাহের অংশ হিসাবে গণ্য হবে;
  • কোনো সরবরাহকে মূল সরবরাহের সহায়ক হিসাবে গণ্য করতে হবে।

উত্তর: টাকার বদলে উৎপাদিত পণ্য বা সরবরাহযোগ্য সেবার মাধ্যমে কর্মচারীর পূর্ণ বা আংশিক বেতন পরিশোধ করলে তা সরবরাহকারীর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং উক্ত পণ্য বা সেবার ন্যায্য বাজার মূল্যের ভিত্তিতে মূসক প্রযোজ্য হবে।

উত্তর: কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে কর মেয়াদে যে পরিমাণ কিস্তির অর্থ পরিশোধ করা হবে সে পরিমাণ অর্থের উপর কর হবে। সে পরিমাণ অর্থের ওপর সমুদয় মূসকের আনুপাতিক হারে মূসক প্রযোজ্য হবে।

ধরা যাক, কোনো একটি পণ্যের সরবরাহ মূল্য ৪০,০০০  টাকা। ক্রেতা শর্তানুযায়ী ৪ কিস্তিতে এক-চতুর্থাংশ হারে মূল্য পরিশোধ করবেন। এক্ষেত্রে ক্রেতা ১ম কিস্তিতে এক চতুর্থাংশ হারে ১০,০০০ পরিশোধ করলে বিক্রেতা ঐ কিস্তির জন্য ১০,০০০ এর ওপর মূসক প্রদান করবেন।

উত্তর: কোনো টেলিযোগাযোগ দ্রব্য বা সেবা সরবরাহকারী কতৃর্ক কোনো আগাম মূল্য পরিশোধিত টেলিযোগাযোগ দ্রব্যমূল্য ছাড়সহ যে সকল পরিবেশক, প্রতিনিধি বা ব্যক্তির নিকট সরবরাহ করা হয় তাকে টেলিযোগাযোগ মধ্যস্বত্ব ভোগী বলে।

উত্তর: যে ক্ষেত্রে কোনো টেলিযোগাযোগ সরবরাহকারী তাহার প্রতিনিধির মাধ্যমে আগাম মূল্য পরিশোধিত টেলিযোগাযোগ দ্রব্য সরবরাহ করেন, তাই আগাম মূল্য পরিশোধিত টেলিযোগাযোগ দ্রব্য।

উত্তর: টেলিযোগাযোগ সেবার সরবরাহকারী হলো মূল টেলিযোগাযোগ সরবরাহকারী। টেলিযোগাযোগ মধ্যস্বত্বভোগী এর অন্তভুর্ক্ত হবেন না।

উত্তর: অনুযায়ী লটারি, লাকি ড্র,  হাউজি,  র্যাফেল ড্র বা অনুরূপ উদ্যোগ পরিচালনা করযোগ্য। কোনো ব্যক্তি লটারি বা লাকি ড্র পরিচালনার উদ্দেশ্যে পরিবেশক বা প্রতিনিধির নিকট মূল্যছাড় প্রদান করে বিক্রীত টিকিটের ক্ষেত্রে উক্ত ছাড় হিসেবে গণ্য না করে উহার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে, যা করযোগ্য। অর্থাৎ বিক্রিত টিকিটের চূড়ান্ত পণ হবে টিকিটের মূল্য।

উত্তর: কোনো সরবরাহ বাতিল হলে এবং সরবরাহকারীর পূর্বে গৃহীত পণ ফেরত প্রদান কালে বাতিল করার কারণে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে পণের যে অংশ রেখে দেওয়া হয় তার উপর প্রযোজ্য কর সমন্বয় করা হবে এবং সরবরাহের লেনদেন বাতিল হলে এবং উক্ত বাতিলের সরবরাহকারী গ্রহীতার নিকট হতে কোনো অর্থ আদায় করলে, যেই কর মেয়াদে তা আদায় করা হয় সেই কর মেয়াদে উক্ত আদায়কৃত অর্থ সরবরাহের পণ হিসাবে গণ্য হবে এবং কর প্রদেয় হবে।

উত্তর: যেক্ষেত্রে বিক্রয়যন্ত্র, মিটার বা অনুরূপ কোনো স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে (পরিশোধ টেলিফোন ব্যতীত) পণ্যের করযোগ্য সরবরাহ প্রদান করা হয়, সেক্ষেত্রে সরবরাহকারী বা তার মুদ্রা, নোট ও টোকেনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, সরবরাহকারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কতৃর্ক উক্ত বিক্রয়যন্ত্র, মিটার বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র হতে উক্ত মুদ্রা, নোট বা টোকেন বাহির করার সময় কর প্রদেয় হবে;

যেক্ষেত্রে করযোগ্য সরবরাহ বিক্রয়যন্ত্র, মিটার বা অন্যকোনো স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে প্রদান করা হয় এবং উক্ত সরবরাহের জন্য নির্ধারিত উপায়ে অর্থ প্রদান করা হয়, সেইক্ষেত্রে সরবরাহকারী ব্যক্তি কতৃর্ক সরবরাহকারীকে অর্থ প্রদানকালে কর প্রদান করতে হবে।

 

উত্তর: আপনি নিন্মবর্ণিত পদ্ধতিতে নীট কর হিসাব করবেন, যথা:

  • কর মেয়াদে প্রদেয় সকল উৎপাদ কর ও সম্পূরক শুল্ক ও সকল বৃদ্ধিকারী সমন্বয় যোগ করে এবং যোগফল হতে কর মেয়াদে সকল উপকরণ কর ও সকল হ্রাসকারী সমন্বয় বিয়োগ করে

অথার্ৎ, নীট কর = উৎপাদ কর + বৃদ্ধিকারী সমন্বয় – উপকরণ কর – হ্রাসকারী সমন্বয়।

ধরা যাক, উৎপাদ কর = ২০০০/-

উপকরণ কর = ১৪০০/-

বৃদ্ধিকারী সমন্বয় = ৩০০/-

হ্রাসকারী সমন্বয় = ২০০/-

অতএব, নীট কর = (২০০০ + ৩০০ – ১৪০০ – ২০০)/-

= ৭০০/-

উত্তর: দাখিলপত্র জমার পূর্বে হিসাবকৃত নীট কর ট্রেজারিতে জমা প্রদান করা বাধ্যতামূলক।

তবে উল্লেখ্য যে, সংশ্লিষ্ট করমেয়াদের যখনই কর প্রদেয় হোক না কেন ঐ করের টাকা করদাতা হাতে রেখে দাখিলপত্র জমা প্রদানের পূর্বে যেকোনো সময় ট্রেজারিতে জমা দিতে পারবেন। উল্লেখ্য, নীট করের পরিমাণ ধনাত্মক হলে এবং কর পরিশোধ না করে দাখিলপত্র জমা করলে সংশ্লিষ্ট করমেয়াদের পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের পর হতে সুদ হবে এবং আইন ভঙ্গ করার কারণে অর্থদণ্ডও হবে।

উত্তর: সরবরাহের সময় ক্রেতার নিকট হতে আদায়কৃত মূসক হতে করদাতার ক্রয়ের সময় পরিশোধিত মূসক বাদ দেয়া বা সমন্বয় করাকেই রেয়াত বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, কোনো করদাতা ৩০০ টাকার সরবরাহ প্রদান করে ৩৯.১৩ টাকা মূসক আদায় করেছেন। উক্ত সরবরাহের জন্য তিনি ২০০ টাকার উপকরণ ক্রয় করেছেন। সেখানে তিনি ২৬.০৭ টাকা মূসক পরিশোধ করেছেন। তিনি বিক্রয়স্তরে আদায়কৃত কর (৩৯.১৩ টাকা) হতে ক্রয়স্তরে পরিশোধিত উপকরণ কর (২৬.০৭ টাকা) সমন্বয় করে অবশিষ্ট ১৩.০৬ টাকা (৩৯.১৩-২৬.০৭) সরকারি কোষাগারে জমা করবেন।

উত্তর: রেয়াত গ্রহণের শর্তগুলো হলো:

  • সরবরাহ কার্যক্রমসমূহ অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতে হবে;
  • সরবরাহের ক্ষেত্রে ব্যক্তি সরবরাহের পণ পরিশোধ করবেন বা পরিশোধের জন্য দায়ী হবেন;
  • করযোগ্য সরবরাহের মূল্য ১,০০,০০০.০০ টাকা অতিক্রম করলে সরবরাহের বিপরীতে আংশিক বা সমুদয় পরিমাণ ব্যাংকিং মাধ্যমে পরিশোধিত হতে হবে;
  • সরবরাহের ক্ষেত্রে বৈধ কর চালানপত্র (ফরম মূসক-৬.৩) এবং আমদানির ক্ষেত্রে রিলিজ অর্ডারসহ বিল অব এন্ট্রি থাকতে হবে।

উত্তর: যে কর মেয়াদে আমদানি বা ক্রয় করা হয়, সেই কর মেয়াদে বা তৎপরবতীর্ ২টি কর মেয়াদের মধ্যে উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণ করতে হবে।

উত্তর: রেয়াত গ্রহণের জন্য একমাত্র প্রয়োজনীয়  দলিল কর চালানপত্র (মূসক-৬.৩)। তবে আমদানির ক্ষেত্রে বিল অব এন্ট্রি কর চালানপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।

উত্তর: হ্যাঁ আংশিক উপকরণ কর রেয়াত পাওয়ার সুযোগ আছে। করযোগ্য সরবারহের আংশিক পণ পরিশোধ করা হলে বা অর্জিত উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের সম্পূর্ণ সরবরাহ করযোগ্য না হলে এরূপ পরিস্থিতিতে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে।

উত্তর: কোনো ব্যক্তি কর মেয়াদে আমদানি বা অর্জনের বিপরীতে পূর্ণ উপকরণ কর রেয়াত প্রাপ্য না হলে আইন অনুযায়ী উপকরণ করের যে অংশ রেয়াত হিসাবে প্রাপ্য হবেন ঐ অংশকে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত বলা হয়। করযোগ্য সরবরাহের সম্পূর্ণ পণ পরিশোধ না করে আংশিক পণ পরিশোধ করা হলে বা অর্জিত উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের সম্পূর্ণ সরবরাহ করযোগ্য না হলে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে। আমদানি বা অর্জনকৃত কাঁচামাল ব্যবহার করে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য এবং করযোগ্য পণ্য উভয়ই উৎপাদন করলে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত প্রযোজ্য হবে।

উত্তর: কোনো ব্যক্তি কোনো কর মেয়াদে আমদানি বা অর্জনে বিপরীতে পূর্ণ উপকরণ কর রেয়াত প্রাপ্য না হলে আইন ও বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অংশের  উপকরণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে। নিন্মবর্ণিত পরিস্থিতিতে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে:

অর্জিত উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের সম্পূর্ণ সরবরাহ করযোগ্য না হলে আংশিক উপকরণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে।

ধরা যাক, একটি প্রতিষ্ঠানের কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ের করযোগ্য ও অব্যাহতি প্রাপ্ত সরবরাহের সর্বমোট মূল্য ৯,০০০/- (করযোগ্য সরবরাহ ৬,০০০/-, এবং অব্যাহতিপ্রাপ্ত সববারহ ৩,০০০/-)। উক্ত সরবরাহকৃত পণ্য উৎপাদনে ৬,৩০০ টাকার কাঁচামাল ব্যবহৃত হলে রেয়াতযোগ্য করের পরিমাণ:

সর্বমোট উপকরণ কর = ৬,৩০০ × ১৫/১১৫

= ৮২১.৭৪

সর্বমোট করযোগ্য সরবরাহ = ৬,০০০/-

সর্বমোট সরবরাহ = ৯,০০০/-

অতএব, আংশিক উপকরণ কর রেয়াত

= সর্বমোট উপকরণ কর × সর্বমোট করযোগ্য সরবরাহ/ সর্বমোট সরবরাহ

= ৮২১.৭৪ × ৬,০০০/৯,০০০

= ৮২১.৭৪ × ০.৬৬৬৭

= ৫৪৭.৮৫ /-

উত্তর: সমন্বয় একটি প্রক্রিয়া যার ফলে করদাতার করদায়িতা  হ্রাস বা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। সমন্বয় দুই প্রকার, যথা: বৃদ্ধিকারী সমন্বয় ও  হ্রাসকারী সমন্বয়।  বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের ফলে করদাতার করদায়িতা বৃদ্ধি পায় এবং হ্রাসকারী সমন্বয়ের ফলে করদাতার করদায়িতা হ্রাস পায়।

উত্তর: সমন্বয় ঘটনা হলো:

  • উৎসে কর্তিত করের বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • বাৎসরিক পুনঃহিসাব প্রণয়নের ফলে প্রযোজ্য বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ না করবার কারণে বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত পণ্যের ক্ষেত্রে, বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • নিবন্ধিত হওয়ার ক্ষেত্রে, উপকরণ কর ও মূসক বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • নিবন্ধন বাতিলকরণের ক্ষেত্রে, বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • সুদ, জরিমানা, অর্থদণ্ড, ফি, ইত্যাদি পরিশোধ সংক্রান্ত বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • পুনঃবিক্রয়ের নিমিত্ত ক্রীত সেকেন্ড-হ্যান্ড পণ্যের ক্ষেত্রে, হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • বীমা সংক্রান্ত হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • লটারি, লাকী ড্র, র্যাফেল ড্র, হাউজি এবং অনুরূপ কার্যক্রমের ক্ষেত্রে, হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • করহার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • পূর্ববর্তী কর মেয়াদ হইতে ঋণাত্মক জের টানার নিমিত্ত হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • পূর্ববর্তী কর মেয়াদে অতিরিক্ত পরিশোধিত মূসক হ্রাসকারী সমন্বয়;
  • নির্ধারিত অন্য কোনো বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়।

উত্তর: নতুন মূসক ব্যবস্থায় দুই ধরনের সমন্বয় আছে। যেমন:

  • বৃদ্ধিকারী সমন্বয়;
  • হ্রাসকারী সমন্বয়।

উত্তর: বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের ফলে করদাতার করদায়িতা বৃদ্ধি পায় এবং হ্রাসকারী সমন্বয়ের ফলে করদাতার করদায়িতা হ্রাস পায়।

বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের ফলে ব্যক্তি তার দায়দেনা উৎপাদ কর (Output Tax) এর যোগ করে সরকারি কোষাগারে জমা করবেন। হ্রাসকারী সমন্বয়ের ফলে ব্যক্তি তার পাওনা উপকরণ কর (Input tax) এর সাথে যোগ করে হ্রাসকারী সমন্বয় হিসেবে কর সুবিধা গ্রহণ করবেন।

উত্তর: উৎসে কর কর্তনকারী সত্তা হলো:

  • কোনো সরকারি সত্তা, অর্থাৎ

(ক)  সরকার বা তার কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বা দপ্তর;

(খ)  আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত কোনো সংস্থা;

(গ)  রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান; বা

(ঘ)  স্থানীয় কতৃর্পক্ষ, পরিষদ বা অনুরূপ কোনো সংস্থা;

  • এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা সমাজসেবা অধিদপ্তর কতৃর্ক অনুমোদিত কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান;
  • কোনো ব্যাংক, বীমা কোম্পানি বা অনুরূপ আর্থিক প্রতিনিধি;
  • কোনো মাধ্যমিকোত্তর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান;
  • কোনো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি;
  • বৃহৎ করদাতা ইউনিট (মূল্য সংযোজন কর) এর আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান।

উত্তর: সমন্বয় ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট দলিলাদি নিন্মরূপ:

  • উৎসে কর কর্তন সনদপত্র (মূসক-৬.৬);
  • ক্রেডিট নোট (মূসক-৬.৭);
  • ডেবিট নোট (মূসক-৬.৮)।

উত্তর: উৎসে কর্তন বলতে উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট চুক্তি, টেন্ডার বা কার্যাদেশের আওতায় ১০ (দশ) হাজার টাকার অধিক মূল্যের সরবরাহ প্রদান করলে বিল পরিশোধের সময় প্রযোজ্য করের সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ কর্তন করে  উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হবে Ñ এ প্রক্রিয়াকে উৎসে কর কর্তন বলে।

উত্তর: হ্যাঁ, উৎসে কর কর্তন একটি সমন্বয় ঘটনা। উৎসে কর কর্তন হ্রাসকারী এবং বৃদ্ধিকারী দু’ভাবেই হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, ‘ক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান ‘খ’ লিমিটেড (আইনের ধারা ২(২১) অনুযায়ী উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান) নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ১,০০,০০০ মূল্যের সরবরাহ প্রদান করে।

এক্ষেত্রে, ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান মূল্য পরিশোধকালে প্রযোজ্য মূসকের ন‍্যূনতম এক-তৃতীয়াংশ উৎসে কর্তন করবে।‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান ১,০০,০০০ এর উপর প্রযোজ্য মূসক ১৩,০৪৩.৪৮ এর এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৪,৩৪৭.৮২ উৎসে কর্তন করবেন। যেহেতু আইনে ন‍্যূনতম এক তৃতীয়াংশ উৎসে কর্তনের কথা বলা হয়েছে, যেহেতু ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান চাইলে ৪,৩৪৭.৮২ টাকার নিেন্ম যেকোনো পরিমাণ অর্থ উৎসে কর্তন করতে পারবে।

যাই হোক, ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ৪,৩৪৭.৮২ টাকা উৎসে কর্তন করা হলে, প্রতিষ্ঠানটি করমেয়াদ শেষে তার প্রদেয় করের সাথে ৪,৩৪৭.৮২ টাকা বৃদ্ধিকারী সমন্বয় হিসেবে যোগ করবেন  এবং ‘ক’ প্রতিষ্ঠান প্রদেয় করের সাথে ৪,৩৪৭.৮২ টাকা হ্রাসকারী সমন্বয় হিসেবে বিয়োগ করবেন।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী উৎসে কর কর্তন হ্রাসকারী এবং বৃদ্ধিকারী সমন্বয়। ক্রেতা সরবরাহ গ্রহণকালে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হতে উৎসে কর্তন করে রাখবেন বিধায় ক্রেতার ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন বৃদ্ধিকারী সমন্বয় অপর সরবরাহকারীর ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন হ্রাসকারী সমন্বয়।

উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, ‘ক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান ‘খ’ লিমিটেড (আইনের ধারা ২(২১) অনুযায়ী উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান) নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ১,০০,০০০ মূল্যের সরবরাহ প্রদান করে।

এক্ষেত্রে, ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান মূল্য পরিশোধকালে প্রযোজ্য মূসকের ন‍্যূনতম এক তৃতীয়াংশ উৎসে কর্তন করবে।‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান ১,০০,০০০ এর উপর প্রযোজ্য মূসক ১৩,০৪৩.৪৮ এর এক তৃতীয়াংশ  অর্থাৎ ৪,৩৪৭.৮২ উৎসে কর্তন করবেন। যেহেতু আইনে ন‍্যূনতম এক তৃতীয়াংশ উৎসে কর্তনের কথা বলা হয়েছে, সেহেতু ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান চাইলে ৪,৩৪৭.৮২ টাকার নিেন্ম যেকোনো পরিমাণ অর্থ উৎসে কর্তন করতে পারবে।

যাই হোক, ‘খ’ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ৪,৩৪৭.৮২ টাকা উৎসে কর্তন করা হলে, প্রতিষ্ঠানটি করমেয়াদ শেষে তার প্রদেয় করের সাথে ৪,৩৪৭.৮২ টাকা বৃদ্ধিকারী সমন্বয় হিসেবে যোগ করবেন  এবং ‘ক’ প্রতিষ্ঠান প্রদেয় করের সাথে ৪,৩৪৭.৮২ টাকা হ্রাসকারী সমন্বয় হিসেবে বিয়োগ করবেন।

উত্তর: উৎসে কর কর্তনের বৈশিষ্ট্য নিন্মরূপ:

  • চুক্তি, টেন্ডার বা কার্যাদেশের অধীন ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন প্রযোজ্য হবে;
  • দুইজন উৎসে কর্তনকারী সত্তার মধ্যে সম্পাদিত সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন প্রযোজ্য হবে না;
  • একক চালানে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন প্রযোজ্য হবে না;
  • অব্যাহতি প্রাপ্ত বা শূন্যহার বিশিষ্ট সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর্তন প্রযোজ্য হবে না;
  • কর্তনকারী প্রযোজ্য মূসকের সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ কর্তন করবেন;
  • উৎসে কর্তনকারী ব্যক্তি কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তির নিকট হতে উৎসে কর্তনযোগ্য সরবরাহ গ্রহণ করবেন না।

উত্তর: উৎসে কর্তন বলতে উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো উৎসে কর কর্তনকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট চুক্তি, টেন্ডার বা কার্যাদেশের আওতায় ১০ (দশ) হাজার টাকার অধিক মূল্যের সরবরাহ প্রদানকালে সরবরাহকারী ফরম মূসক-৬.৩ চালানপত্র দ্বারা সরবরাহ করবেন। তিনি সেক্ষেত্রে মূসক-৬.৩-এর উৎসের কর্তন সংশ্লিষ্ট অংশ পূরণ করবেন যা উৎসে কর্তনের জন্য সমন্বিত করচালনপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। উৎসে কর্তনকারী উৎসে কর্তনের পর ফরম মূসক-৬.৬ এ উৎসে কর কর্তন সনদপত্র ইস্যু করবেন। ফরম মূসক-৬.৬ এ প্রাপ্ত সনদপত্রের ভিত্তিতে সরবরাহকারী একটি হ্রাসকারী সমন্বয় করবেন এবং নিবন্ধিত উৎসে কর্তনকারী একটি বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করবেন।

উত্তর: হিসাবরক্ষণের লক্ষ্যে নিন্মরূপ দলিলাদি রাখতে হবে, যথা:

  • ক্রয় হিসাব পুস্তক;
  • বিক্রয় হিসাব পুস্তক;
  • কর চালানপত্র;
  • চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের চালানপত্র;
  • পণ্য স্থানান্তর চালানপত্র;
  • উৎসে কর কর্তন সনদপত্র;
  • ক্রেডিট নোট-ডেবিট নোট;
  • সমন্বয় সংক্রান্ত দলিলাদি;

দাখিলপত্র; ইত্যাদি।

উত্তর: হিসাবরক্ষণের দু’টি পদ্ধতি বা নীতি আছে। যথা:

  • নগদ ভিত্তিক (Cash basis);
  • বকেয়া ভিত্তিক (Accrual basis);

নগদ ভিত্তিক (Cash basis) নীতিতে লেনদেনে কোনো বকেয়া হিসাবের সুযোগ নাই। অন্যদিকে বকেয়া ভিত্তিক (Accrual basis) হিসাবে লেনদেনে নগদ প্রদান না করেও হিসাবরক্ষণের সুযোগ আছে। ব্যবসায়িক লেনদেনে বকেয়া থাকবেই, তাই সকল ব্যবসায়ে বকেয়া ভিত্তিক (Accrual basis) পদ্ধতি বা নীতি অনুসরণ করা হয়। আর এ কারণে নতুন মূসক আইনও বকেয়া ভিত্তিক (Accrual basis) নীতি অনুসরণ করে।

উত্তর: করদায় নিরূপণের সুবিধার্থে ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত মূসক সংক্রান্ত দলিলাদি সংরক্ষণ করতে হবে।

উত্তর: মূসক দপ্তরে করদাতার দাখিলপত্র (ফরম মূসক-৯.১ বা ৯.২) এবং ক্রয়-বিক্রয় তথ্য (ফরম মূসক-৬.২০) ব্যতীত আর কোনো দলিলাদি প্রেরণের প্রয়োজন নাই।

উত্তর: হ্যাঁ, আপনি আপনার সকল হিসাব ডিজিটাল পদ্ধতিতে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতির পাশাপাশি কাগজে কপি রাখার প্রয়োজন নেই। তবে আপনি চাইলে ডিজিটাল পদ্ধতির পাশাপাশি ম্যানুয়ালিও কপি সংরক্ষণ করতে পারেন।

উত্তর: সরবরাহকারী করযোগ্য সরবরাহের উপর নিদিষ্ট তথ্য সংবলিত সংখ্যানুক্রমিক দলিলকে কর চালানপত্র বলা হয়। ফরম মূসক-৬.৩ ই কর চালানপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। কর চালানপত্রে নিন্মবর্ণিত তথ্যাদি থাকবে:

  • ক্রেতার নাম;
  • চালানপত্র নম্বর;
  • বিক্রেতার বিআইএন নম্বর;
  • ক্রেতার বিআইএন নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  • সরবরাহের বর্ণনা;
  • সরবরাহের পরিমাণ;
  • মূল্য;
  • জড়িত কর।

উত্তর: সরবরাহকারী প্রতিটি সরবরাহের বিপরীতে ফরম মূসক-৬.৩ এ করচালান পত্র ইস্যু করবেন। নিভুর্ল কর চালানপত্র ইস্যুর জন্য কর চালানপত্র পূরণের নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।

উত্তর: চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে আপনি মূসক-৬.৪ ফরম ব্যবহার করতে পারবেন।

উত্তর: কেন্দ্রীয় নিবন্ধনের এক শাখা হতে অন্য শাখায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট পণ্য স্থানান্তর করার ক্ষেত্রে ফরম মূসক-৬.৫ ব্যবহার করব।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৫৩ অনুযায়ী সরবরাহকারী কতৃর্ক উৎসে কর কর্তনকারী সত্তার নিকট সরবরাহের তারিখে বা তৎপূর্বে নির্ধারিত তথ্য সমন্বিত যে চালানপত্র জারি করা হবে তাকে সমন্বিত কর চালান পত্র এবং উৎসে কর সনদ পত্র বলা হবে। ফরম মূসক- ৬.৩ এবং ফরম মূসক-৬.৬ একত্রে “সমন্বিত কর চালানপত্র ও উৎসে কর কর্তন সনদপত্র” হিসাবে বিবেচিত।

উত্তর: না, আপনার হিসাবরক্ষণের জন্য বিধিমালায় বর্ণিত ফরমেট হুবহু অনুসরণ বাধ্যতামূলক নয়। আপনি আপনার বব্যসায়ের প্রয়োজনে ফরমেট নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, বিধমালায় বর্ণিত ফরমেটগুলোতে যে তথ্য আছে সেগুলো যেন আপনার নিজস্ব ফরমেটেও থাকে।

উত্তর: না। নতুন আইনে দুই ধরনের হিসাব রাখার সুযোগ নেই। আপনার ব্যবসার হিসাবই মূসকের হিসাব হিসেবে বিবেচিত হবে। আপনাকে একটি হিসাবই রাখতে হবে।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী-

  • সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানির সময়; এবং
  • বাংলাদেশে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য এবং সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য সেবা সরবরাহের সময় সম্পূরক শুল্ক আরোপিত হবে।

উত্তর: সম্পূরক শুল্ক আরোপিত হবে-

  • সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে; এবং
  • বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য বা সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে সেবা সরবরাহকারী সম্পূরক শুল্ক পরিশোধ করবেন।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত উপায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপের জন্য মূল্য নির্ধারিত হবে:

  • আমদানির ক্ষেত্রে আমদানির শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্যের সাথে আমদানি শুল্ক এবং রেগুলেটারি ডিউটি (যদি থাকে) যোগ করে

     সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য = শুল্কায়নযোগ্য মূল্য/ আমদানির শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + আমদানি শুল্ক  + রেগুলেটরি ডিউটি + অন্যান্য শুল্ক।

কোনো পণ্যের আমদানির ওপর ২৫% আমদানি শুল্ক (CD), ৩% রেগুলেটরি ডিউটি (RD), ২০% সম্পূরক শুল্ক (SD) আরোপ করেছে। আমদানি পর্যায়ে পণ্য চালানটির শুল্কায়নযোগ্য মূল্য (AV) ৫০,০০০.০০ টাকা। আমদানি পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপের জন্য ভিত্তিমূল্য এবং প্রযোজ্য সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ নির্ণয় করা যাক।

কর ভিত্তিমূল্যের সূত্র ভিত্তিমূল্য  হার শুল্ক-কর
আমদানি শুল্ক AV ৫০,০০০.০০ ২৫% ১২,৫০০.০০
রেগুলেটরি ডিউটি AV ৫০,০০০.০০ ৩% ১,৫০০.০০
সম্পূরক শুল্ক AV+CD+RD ৬৪,০০০.০০ ২০% ১২,৮০০.০০

 

  • সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য বা সেবার সরবরাহের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক আদায়ের ভিত্তিমূল্য হবে সরবরাহের ন্যায্য বাজার মূল্য

উদাহরণ: ধরা যাক, কোনো একটি সম্পূরক শুল্কযুক্ত পণ্যের বাজার মূল্য ৩০০ টাকা। এক্ষেত্রে পণ্য মূল্যের সাথে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক অন্তর্ভুক্ত আছে। সম্পূরক শুল্কের হার ১০%।

তাহলে, মূসক আরোপযোগ্য মূল্য = সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + সম্পূরক শুল্ক

মূসক আরোপযোগ্য মূল্য = (৩০০ – ৩০০ × কর-ভগ্নাংশ) টাকা

= (৩০০ – ৩০০ × ১৫/১১৫) টাকা

= (৩০০ – ৩৯.১৩) টাকা

= ২৬০.৮৭ টাকা।

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + সম্পূরক শুল্ক = ২৬০.৮৭ টাকা

সুতরাং ২৬০.৮৭ টাকা থেকে সম্পূরক শুল্ক বাদ দিয়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য পাওয়া যাবে

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য = (২৬০.৮৭ – ২৬০.৮৭ × কর-ভগ্নাংশ) টাকা

= (২৬০.৮৭  – ২৬০.৮৭ × ১০/১১০) টাকা

= (২৬০.৮৭  – ২৩.৭২) টাকা

= ২৩৭.১৫ টাকা।

উত্তর: দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত পণ্য ও সেবার আমদানি ও সরবরাহের উপর সম্পূরক শুল্ক প্রযোজ্য। প্রযোজ্য হারসহ তালিকা নিেন্ম দেওয়া হলো:

হেডিং নম্বর এইচ. এস. কোড পণ্যের বর্ণনা সম্পূরক শুল্কের হার (%) বা পরিমাণ
(১) (২) (৩) (৪)
২১.০৬ ২১০৬.৯০.১০ সুগন্ধি দ্রব্যের মিশ্রণ ব্যতীত কোমল পানীয় প্রস্তুতে ব্যবহৃত সামগ্রী, আয়তন ভিত্তিক এ‍্যালকোহল ক্ষমতা ০.৫% এর উর্ধ্বে ৩৫০
২২.০২ ২২০২.১০.০০ কোমল পানীয় ১০০
২২০২.৯০.০০ নন-এ‍্যালকোহলিক বিয়ার ১০০
২২.০৩ ২২০৩.০০.০০ মল্ট হইতে প্রস্তুত বিয়ার ২৫০
২২.০৪ সকল এইচএস কোড তাজা আঙ্গুরের মদ, ফর্টিফাইড মদসহ; (২০.০৯ হেডিংভুক্ত grape must ব্যতীত) ৩৫০
২২.০৫ সকল এইচএস কোড ভারমুথ এবং তাজা আঙ্গুরের তৈরী মদ ৩৫০
২২.০৬ ২২০৬.০০.০০ অন্যান্য গাঁজানো (furmented) পানীয় (উদাহরণস্বরূপ সিডার, পেরী) ৩৫০
২২.০৮ সকল এইচএস কোড Undeenatured ethyl alcohol of an alcoholic strengh by volume of less than 80% volume, spirits, liquors and other spirituous beverages ৩৫০
২৪.০১ সকল এইচএস কোড Unmanufactured  Tobacco, Tobacco refuse ৬০
২৪.০২ ২৪০২.১০.০০ তামাকের তৈরী সিগার, চুরুট ও সিগারিলো ৩৫০
২৪০২.২০.০০ তামাকের তৈরী সিগারেট ৩৫০
২৪০২.৯০.০০ হাতে বা অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৈরী বিড়ি এবং অন্যান্য ১০০
২৪.০৩ সকল এইচএস কোড অন্যান্য প্রস্তুতকৃত তামাক এবং সমজাতীয় পদার্থ “homogenised” বা “reconstituted” নির্যাস বা সুগন্ধি ১০০
২৫.১৫ ২৫১৫.১১.০০ মার্বেল এবং ট্রেভারটিন (আপাতঃ আপেক্ষিক পুরুত্ব ২.৫% বা তার বেশি), ক্রুড বা স্থুলভাবে কর্তিত ২০
২৫১৫.১২.০০ Merely cut, by sawing or otherwise, into blocks or slabs of a rectangular (including square) shape ২০
২৫১৫.২০.০০ Ecsussine and other calcareous monumental or building stone; alabaster ২০
২৫.১৬ ২৫১৬.১১.০০

২৫১৬.১২.০০

গ্রানাইট (স্থুলভাবে কর্তিত)

গ্রানাইটঃ করাত দ্বারা বা অন্য প্রকারে ব­ক বা চতুর্ভুজ বা বর্গাকার স্ল্যাব হিসাবে কর্তিত

২০
২৫.২৩ ২৫২৩.২১.০০ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টঃ সাদা, কৃত্রিমভাবে রঙ্গীন করা হউক বা না হউক ২০
২৫২৩.২৯.০০ অন্যান্য পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ২০
২৭.১০ ২৭১০.১২.৩৯ অন্যান্য হালকা তৈল ও প্রিপারেশন: অন্যান্য ২০
২৭১০.১২.৫০ অন্যন্য মধ্যম তৈল ও প্রিপারেশন ২০
২৭১০.১২.৬৯ গ্যাস তৈল: অন্যান্য ২০
২৭১০.১৯.১৯ জ্বালানী তৈল: অন্যান্য ২০
২৭১০.১৯.৩৩ আংশিক পরিশোধিত পেট্রেলিয়াম, টপ্‌ক্রডসহ ২০
২৭১০.১৯.৩৪ গ্রীজ (খনিজ) ২০
২৭১০.১৯.৩৯ অন্যান্য ভারী তৈল ও প্রিপারেশন: (ট্রান্সফরমার অয়েল ও হেভি নরম্যাল প্যারাফিন ব্যতীত ২০
২৭.১১ ২৭১১.২১.০০ প্রাকৃতিক গ্যাস, গ্যাসীয় অবস্থায় ১০০
৩৩.০৩ ৩৩০৩.০০.০০ সুগন্ধি ও প্রসাধনী পানি ২০
৩৩.০৪ সকল এইচএস কোড সৌন্দর্য বা প্রসাধন সামগ্রী এবং ত্বক পরিচর্যার প্রসাধন সামগ্রী (ঔষধে ব্যবহৃত পদার্থ ব্যতীত), সানস্ক্রিন বা সান ট্যান সামগ্রী; হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধন সামগ্রীসহ ২০
৩৩.০৫ সকল এইচএস কোড কেশ পরিচর্যায় ব্যবহৃত সামগ্রী ৬০
৩৩.০৭ সকল এইচএস কোড শেভের আগে, শেভের পরে বা শেভের সময় ব্যবহার্য সামগ্রী; শরীরের দুর্গন্ধ দূরীকরণে ব্যবহৃত সামগ্রী, ডিপাইলেটরি এবং অন্যান্য সুগন্ধি, প্রসাধনী ও টয়লেট সামগ্রী যা অন্য কোথাও উল্লিখিত বা অন্তভুর্ক্ত নহে; কক্ষের দুর্গন্ধ নাশক (সুগন্ধিযুক্ত হউক বা না হউক বা জীবাণুনাশক ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক) ২০
৪৮.১৩ সকল এইচএস কোড সিগারেট পেপার, সাইজ মত কর্তিত হউক বা না হউক, বা বুকলেট বা টিউবের আকারে ৬০
৬৮.০২ সকল এইচএস কোড Granite, marble, travertine and alabaster and other stone ৬০
৬৯.০৪ সকল এইচএস কোড Ceramic building bricks, flooring blocks, support or filler tiles and the like. ২০
৬৯.০৭ সকল এইচএস কোড অনুজ্জ্বল সিরামিক প্রস্তুর ফলক এবং উনানের প্রস্তর বা দেয়ালের টাইলস; অনুজ্জ্বল সিরামিক মোজাইক কিউব এবং সমজাতীয় পণ্য, কোনো বস্তুর উপর স্থাপিত হউক বা না হউক ৪৫
৬৯.০৮ সকল এইচএস কোড উজ্জ্বল সিরামিক প্রস্তর ফলক এবং উনানের প্রস্তর বা দেয়ালের টাইলস; চকচকে সিরামিক মোজাইক কিউব এবং সমজাতীয় পণ্য, কোনো বস্তুর ওপর স্থাপিত হউক বা না হউক ৪৫
৮৪.১৫ সকল এইচএস কোড (৮৪১৫.১০.১০

৮৪১৫.৮১.১০

৮৪১৫.৮২.১০

৮৪১৫.৮৩.১০

৮৪১৫.৯০.১০

৮৪১৫.৯০.৯০ ব্যতীত)

মোটরচালিত পাখাযুক্ত এবং উষ্ণতা ও আর্দ্রতা পরিবর্তনের সুবিধাসংবলিত, আর্দ্রতা পৃথকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এইরূপ বৈশিষ্ট্যসম্বলিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্র ও উহার যন্ত্রাংশ (মূল্ধনী যন্ত্রপাতি ব্যতীত) ৬০
৮৪১৫.৯০.১০ যন্ত্রাংশ (এয়ার কন্ডিশনার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কতৃর্ক আমদানিকৃত) ২০
৮৪১৫.৯০.৯০ যন্ত্রাংশ (অন্যান্য আমদানিকারক কতৃর্ক আমদানিকৃত) ৪৫
৮৪.১৮ সকল এইচএস কোড (৮৪১৮.৬১.১০

৮৪১৮.৬৯.১০

৮৪১৮.৯৯.০০ ব্যতীত)

রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার এবং সমজাতীয় পণ্য; হিট পাম্প; রেফ্রিজারেটিং ফার্নিচার ৩০
৮৫.০৭ ৮৫০৭.১০.০০ লিড এসিড ব্যাটারি ও ইলেকট্রিক এ‍্যাকুমুলেটর ২০
৮৫০৭.২০.৯০ Other lead acid accumulators ২০
৮৭.০৩ সংশ্লিষ্ট এইচএস কোড মোটর গাড়ি এবং অন্যান্য মোটরযান, স্টেশন ওয়াগনসহঃ
(1)  ইঞ্জিনসহ অটো রিক্সা বা থ্রি-হুইলার ২০
(2)  সম্পূর্ণ তৈরী ইঞ্জিনসহ চার-স্ট্রোক বিশিষ্ট সিএনজি চালিত অটো রিক্সা বা থ্রি-হুইলার ২০
(3)  সম্পূর্ণ তৈরী মোটর গাড়ি ও অন্যান্য মোটরযান, স্টেশন ওয়াগনসহ (এ‍্যাম্বুলেন্স ব্যতীত)ঃ
(ক) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১০০০ সিসি পর্যন্ত ৩০
(খ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১০০১ সিসি হইতে ১৫০০ সিসি পর্যন্ত (মাইক্রোবাস ব্যতীত) ৪৫
(গ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৫০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসি পর্যন্ত (মাইক্রোবাস ব্যতীত) ১০০
(ঘ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ২৭৫০ সিসি পর্যন্ত ২৫০
(ঙ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২৭৫১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত ৩৫০
(চ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে ৫০০
(ছ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০০ সিসি পর্যন্ত মাইক্রোবাস ৩০
(জ) সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হইতে ২০০০সিসি পর্যন্ত মাইক্রোবাস ৬০
(4)   বিযুক্ত (সিকেডি) মোটর গাড়ি,  মোটরযান, স্টেশন ওয়াগন ও জীপগাড়িসহ (চার স্ট্রোক বিশিষ্ট সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা থ্রিহুইলার ব্যতীত) ঃ
(ক) মোটর গাড়ি (২০০০ সিসি পর্যন্ত) বিযুক্ত (সিকেডি) ৩০
(খ) অন্যান্য বিযুক্ত (সিকেডি) ৪৫
৮৭.০৪ সম্পূর্ণ তৈরী ন‍্যূনতম চার দরজা বিশিষ্ট ডাবল কেবিন পিকআপঃ
৮৭০৪.২১.১৩

৮৭০৪.৩১.১৩

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১০০১ সিসি হইতে ১৫০০ সিসি পর্যন্ত ৩০
৮৭০৪.২১.১৪

৮৭০৪.৩১.১৪

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৫০১ সিসি হইতে ২০০০ সিসি পর্যন্ত ৬০
৮৭০৪.২১.১৫

৮৭০৪.৩১.১৫

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি হইতে ২৭৫০ সিসি পর্যন্ত ১০০
৮৭০৪.২১.১৬

৮৭০৪.৩১.১৬

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২৭৫১ সিসি হইতে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত ৩৫০
৮৭০৪.২১.১৭

৮৭০৪.৩১.১৭

সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে ৫০০
৮৭.০৬ ৮৭০৬.০০.৩১ দুই-স্ট্রোক বিশিষ্ট অটোরিকসা বা থ্রি হুইলারের ইঞ্জিনযুক্ত চেসিস ২০
৮৭০৬.০০.৩২ চার-স্ট্রোক বিশিষ্ট অটোরিকসা বা থ্রি হুইলারের ইঞ্জিনযুক্ত চেসিস ২০
৮৭.১১ ৮৭১১.১০.১১

৮৭১১.১০.৯১

৮৭১১.২০.১১

৮৭১১.২০.৯১

চার-স্ট্রোক বিশিষ্ট সম্পূর্ণ তৈরী মোটরসাইকেল ৪৫
৮৭১১.১০.২১

৮৭১১.১০.৯২

৮৭১১.২০.২১

৮৭১১.২০.৯২

চার-স্ট্রোক বিশিষ্ট বিযুক্ত মোটরসাইকেল ৩০
৮৭১১.১০.১৯

৮৭১১.১০.২৯

৮৭১১.১০.৯৯

৮৭১১.২০.১৯

৮৭১১.২০.২৯

৮৭১১.২০.৯৯

দুই-স্ট্রোক বিশিষ্ট মোটরসাইকেল (সম্পূর্ণ তৈরী বা বিযুক্ত) ২৫০
৯৩.০২-৯৩.০৭ সকল এইচএস কোড রিভলবার ও পিস্তল, অন্যন্য আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ (শুটিং ফেডারেশন কতৃর্ক আমদানিকৃত match weapon এবং স্পোর্টস গোলাবারুদ ব্যতীত), তরবারী, ছোরা, সঙ্গিন, বর্শা এবং সমজাতীয় পণ্য ১০০

 

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য সেবার তালিকা

শিরোনাম সংখ্যা সেবার কোড  সেবাসমূহ
(১) (২) (৩)
S001 S001.00  হোটেল ও রেস্তোরাঁঃ
S001.10 হোটেলঃ
S001.20 রেস্তোরাঁঃ

আবাসন, খাদ্য বা পানীয় সরবরাহকালে যদি হোটেল বা রেস্তোরাঁয় মদ জাতীয় পানীয় সরবরাহ করা হয় বা যেকোন ধরনের “ফ্লোর শো” এর আয়োজন করা হয় (বৎসরে একদিনের জন্য করা হইলেও)।

S012 S012.20 সিম কার্ড সরবরাহকারী ঃ

সেলুলার (Mobile or Fixed Wireless) টেলিফোনের ক্ষেত্রে সিম (Subscriber’s Identity Module-SIM) কার্ড বা রিম (Removable User Identification Module-RUIM) কার্ড বা অনুরূপ অন্য কোন Microchip সম্বলিত কার্ড সরবরাহ বা একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উল্লিখিত কার্ড ব্যতীত প্রতিবার Code Division Multiple Access (CDMA) বা অনুরূপ অন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার।

উত্তর: সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যের উপর যে সময় ও পদ্ধতিতে আমদানি শুল্ক আদায় করা হয়। সেই একই সময় ও পদ্ধতিতে সম্পূরক শুল্ক আদায় করতে হবে। আমদানি স্তরে নিন্মবর্ণিত পদ্ধতিতে সম্পূরক শুল্ক আদায় করা হবে:

আমদানির ক্ষেত্রে আমদানির শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্যের সাথে আমদানি শুল্ক এবং রেগুলেটারি ডিউটি (যদি থাকে) যোগ করে

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য = শুল্কায়নযোগ্য মূল্য/ আমদানির শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + আমদানি শুল্ক  + রেগুলেটরি ডিউটি + অন্যান্য শুল্ক

উদাহরণ: ধরা যাক, কোনো পণ্যের আমদানির ওপর ২৫% আমদানি শুল্ক (CD), ৩% রেগুলেটরি ডিউটি (RD), ২০% সম্পূরক শুল্ক (SD) আরোপিত আছে। আমদানি পর্যায়ে পণ্যচালানটির শুল্কায়নযোগ্য মূল্য (AV) ৫০,০০০.০০ টাকা প্রযোজ্য সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ নির্ণয় করা যাক।

কর ভিত্তিমূল্যের সূত্র ভিত্তিমূল্য  হার শুল্ক-কর
আমদানি শুল্ক AV ৫০,০০০.০০ ২৫% ১২,৫০০.০০
রেগুলেটরি ডিউটি AV ৫০,০০০.০০ ৩% ১,৫০০.০০
সম্পূরক শুল্ক AV+CD+RD ৬৪,০০০.০০ ২০% ১২,৮০০.০০

উত্তর: সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য বা সেবা সরবরাহের যে সময়ে মূসক আদায় করা হয় সেই একই সময়ে সম্পূরক শুল্ক আদায় করা হয়।

  • সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য বা সেবার সরবরাহের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক আদায়ের ভিত্তিমূল্য হবে সরবরাহের ন্যায্য বাজার মূল্য

উদাহরণ: ধরা যাক, কোনো একটি সম্পূরক শুল্ক যুক্ত পণ্যের বাজার মূল্য ৩০০ টাকা। এক্ষেত্রে পণ্য মূল্যের সাথে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক অন্তর্ভুক্ত আছে। সম্পূরক শুল্কের হার ১০%।

তাহলে, মূসক আরোপযোগ্য মূল্য = সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + সম্পূরক শুল্ক

মূসক আরোপযোগ্য মূল্য = (৩০০ – ৩০০ × কর-ভগ্নাংশ) টাকা

= (৩০০ – ৩০০ × ১৫/১১৫) টাকা

= (৩০০ – ৩৯.১৩) টাকা।

= ২৬০.৮৭ টাকা

সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য + সম্পূরক শুল্ক = ২৬০.৮৭ টাকা

সুতরাং পণ্যটির সম্পূরক শুল্কসহ মূল্য = ২৬০.৮৭ টাকা

পণ্যটিতে প্রযোজ্য সম্পূরক শুল্ক = (২৬০.৮৭ × কর-ভগ্নাংশ) টাকা

= (২৬০.৮৭ × ১০/১১০) টাকা

= ২৪.৩৫ টাকা।

উত্তর: তালিকাভুক্ত বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি যাদের করযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বার্ষিক করযোগ্য টার্নওভার ৩০ টাকার ওপর হতে ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাদের প্রকৃত বার্ষিক টার্নওভারের ওপর ভিত্তি করে প্রদত্ত করকে টার্নওভার কর বলা হয়। টার্নওভার করের হার ৩%।

 

৮.২। টার্নওভার কর মেয়াদ কত? কোন ফরমে দাখিলপত্র জমা দিতে হবে?

উত্তর: টার্নওভার করের ক্ষেত্রে কর মেয়াদ ত্রৈমাসিক সময়কাল, যথা:

  • ০১ জানুযায়ী হতে ৩১ মার্চ
  • ০১ এপ্রিল হতে ৩০ জুন
  • ০১ জুলাই হতে ৩০ সেপ্টেম্বর
  • ০১ অক্টোবর হতে ৩১ ডিসেম্বর

ফরম মূসক ৯.২ ফরমে টার্নওভার কর দাখিলপত্র জমা দিতে হবে। কর মেয়াদের পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিপত্র পেশ করতে হবে।

উত্তর: কোনো করমেয়াদে কোনো ব্যক্তির প্রদেয় টার্নওভার কর ঐ করমেয়াদে দাখিলপত্র পেশ করার পূর্বে পরিশোধ করতে হবে।

উত্তর: তালিকাভুক্ত ব্যক্তি তাঁর সরবরাহ সংশ্লিষ্ট সকল ক্রয় বিক্রয়ের হিসাব ফরম মূসক-৬.১ এবং ফরম মূসক-৬.২ এ সংরক্ষণ করবেন। ফরম মূসক-৬.৯ ফরমে প্রতিটি সরবরাহের বিপরীতে টার্নওভার কর চালানপত্র ইস্যু করবেন। প্রতি করমেয়াদে সরবরাহের বিপরীতে জারিকৃত কর চালনপত্রের ওপর ভিত্তি করে অর্থাৎ মোট করযোগ্য বিক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে টার্নওভার করের হিসাব করবেন। যে হিসাবের ভিত্তিতে ফরম মূসক-৯.২ ফরমে দাখিলপত্র পেশ করবেন।

উত্তর: প্রতিটি সরবরাহের বিপরীতে ফরম মূসক-৬.৯ এর সংখ্যানুক্রমিক কর চালানপত্র ইস্যু করতে হয়। একাধিক স্থান হতে সরবরাহ প্রদান করতে হলে আলাদা সংখ্যানুক্রমিক চালানপ্রত্র জারি করা যাবে। টার্নওভার কর চালানপ্রত্র ০২ (দুই) প্রস্থে জারি করতে হবে যার মূল চালানপত্রটি ক্রেতাকে প্রদান করতে হবে এবং অনুলিপি তালিকাভুক্ত ব্যক্তি তাঁর ব্যবসায় প্রাঙ্গণে সংরক্ষণ করবেন।

উত্তর: দাখিলপত্রে পরিশোধিত আগাম করের সমপরিমাণ অর্থ হ্রাসকারী সমন্বয় সাধন করতে পারবেন।

উত্তর: নিবন্ধিত ব্যক্তি ফরম মূসক-৯.১ ফরমে মূসক দাখিলপত্র এবং টার্নওভার কর তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ফরম মূসক-৯.২ ফরমে টার্নওভার কর দাখিলপত্র করমেয়াদ পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে কমিশনার বরাবর পেশ করবেন।

উত্তর: প্রত্যেক করমেয়াদের জন্য কর মেয়াদ সমাপ্তির পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। ১৫ তারিখ সরকারি ছুটি থাকলে তার পূর্ববর্তী দিনে দাখিল করতে হবে। অনলাইনে দাখিলের ক্ষেত্রে ২৪/৭ তা করা যাবে।

I am text block. Click edit button to change this text. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

উত্তর: সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদ শেষ হওয়ায় ন‍্যূনতম ৭ (সাত) দিন পূর্বে মধ্যে ফরম মূসক-৯.৩ এ কমিশনার বরাবর আবেদন করবেন। কমিশনার যথাযথ বিবেচনায় আবেদন প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে আবেদন অনুমোদন করবেন। তবে সময় বৃদ্ধি মেয়াদ ১ (এক) মাসের অধিক হবে না।

উত্তর: ফরম মূসক-৯.৩ এ দাখিলপত্র সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন।

উত্তর: অনলাইনে বোর্ডের কেন্দ্রীয় পোর্টালে (িিি.হনৎ.মড়া.নফ) দাখিলপত্র পেশ করা যায়। অনলাইনকে দাখিলপত্র পেশের সুবিধা হলো:

  • করদাতা ঘরে বসেই অনলাইনে প্রদান করতে পারবেন;
  • করদাতাকে মূসক দপ্তরে যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা নাই।

উত্তর: দাখিলপত্র জমার শেষ তারিখ সরকারি ছুটি তার পূর্ববর্তী কর্মদিবসে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে।

উত্তর: অনলাইনে দাখিলপত্র প্রদানে কোনো স্বাক্ষরের প্রয়োজন নাই। তবে ম্যানুয়ালি দাখিলপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্তি ব্যক্তি দাখিলপত্রে স্বাক্ষর করবেন। যদি কোনো কারণে তাঁর স্বাক্ষর করা সম্ভব না হয় তাহলে তাঁর পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বাক্ষর প্রদান করবেন।

উত্তর: একটি কর মেয়াদের জন্য পূর্ণ অতিরিক্ত বা বিলম্ভ দাখিলপত্র পেশ করতে পারবেন। তবে আংশিক পরিশোধ করতে পারবেন না।

উত্তর: প্রত্যেক নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত বা নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তযোগ্য ব্যক্তিকে দাখিলপত্র জমা প্রদান করতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক একটি কাজ।

উত্তর: দাখিলপত্র জমা প্রদান না করা ব্যর্থতা বা অনিয়মের পর্যায়ের পড়ে। আইনের ধারা ৮৫ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (চ) অনুযায়ী দাখিলপত্র জমা প্রদান না করলে ১০(দশ) হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং আমদানি-রপ্তানিসহ যাবতীয় কার্যক্রম ঝুঁকিতে পড়বে।

উত্তর: যদি কোনো কর মেয়াদে উপকরণ কর এবং প্রাপ্য হ্রাসকারী সমন্বযের সমষ্টি উৎপাদ কর সম্পূকর শুল্ক এবং বৃদ্ধিকারী সমন্বয় এর সমষ্টিকে অতিক্রমের কারণে প্রদেয় করের নীট পরিমাণ ধনাত্মক হয় তাকে ধনাত্মক নীট অর্থ বলে।

উত্তর: নির্মাণ, গৃহ নির্মাণ, ভূমি বা সম্পত্তি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ঋণাত্মক নীট অর্থ অনিদিষ্ট কাল জের টানতে হবে। অন্যান্য অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ক্ষেত্রে জের টেনে পরবর্তী ছয়টি কর মেয়াদে বিয়োজন করা যাবে এবং তৎপরবর্তীকে ফেরত পাওয়া যাবে।

উত্তর: যদি সরকারকে প্রদেয় করের অতিরিক্ত কর পরিশোধ করা হয়ে থাকে বা নীট কর ঋণাত্মক হয় তাহলে তা ০৬ টি করমেয়াদ পর্যন্ত জেরে টানতে হবে। এরপর ঋণাত্মক করের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকার বেশি হলে সে অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে আবেদনের ৩ মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।

উত্তর: ঋণাত্মক নীট অর্থ ফেরত পেতে হলে সর্বনিন্ম ৫০,০০০ টাকা হতে হবে এবং এর নিচে হলে জের টানতে হবে।

উত্তর: আবেদনকারীকে চলতি কর মেয়াদ পর্যন্ত সকল মূসক দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। ফেরতযোগ্য অর্থ হতে সুদ, দণ্ড হ্রাস করে ৫০,০০০ টাকা এর বেশি হতে হবে।

উত্তর: কর পরিশোধের ৬ মাসের মধ্যে প্রামাণিক দলিলাদিসহ আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদনের ২ মাসের মধ্যে এবং অন্যান্য পদ্ধতিতে আবেদনের ৩ মাসের মধ্যে ফেরত প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে সকল দণ্ড, সুদ এবং দায়-দেনা হ্রাস করে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দিতে হবে।

উত্তর: অনিবন্ধিত ব্যক্তিগণ শুধু আগাম কর ফেরত পাবেন। কমিশনার বরাবর অনলাইনে আবেদন করে তা ফেরত পাবেন।

উত্তর: আছে। ১৮০ দিনের কম সময় অবস্থান করতে হবে এবং নিদিষ্ট পণ্য হবে VAT Refund for Tourists চিহ্নিত দোকান থেকে ক্রয় করতে হবে। দোকান হতে ইস্যুকৃত Refund Certificate এর ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস এর Tourists Refund Desk হতে নগদ টাকায় মূসকের অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে।

উত্তর: কমিশনার নিন্মবর্ণিত কারণে প্রদেয় করের পরিমাণ নির্ধারণ করে থাকেন, যথা:-

(ক)     দাখিল পত্রে উৎপাদক কর উপকরণ কর সম্পূরক শুল্ক বা বৃদ্ধিকারী বা হ্রাসকারী সমন্বয়ে বিষয়ে অসত্য ঘোষণা প্রদান করলে;

(খ)     দাখিল পত্রে টার্নওভার কর সম্পর্কে মিথ্যা ঘোষণা প্রদান করলে;

(গ)     নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে ব্যর্থ হলে;

(ঘ)     প্রদেয় কর পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে; এবং

(ঙ)     অর্থ ভুল ফেরত প্রদান করা হলে।

উত্তর: যে কর মেয়াদের ৫ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং নির্ধারণের ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত ব্যক্তির উপর নোটিশ জারি করতে হবে।

উত্তর: করযোগ্য সরবরাহের শূন্যহার বিশিষ্ট সরবরাহ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত সরবরাহ হিসেবে গন্য করলে বিলম্বে শুল্ক পরিশোধের কমিশনার সুদ বা জরিমানা ধার্য করতে পারবেন।

উত্তর: কর নির্ধারণ বা সংশোধনের পর আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করা যাবে।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর কতৃর্পক্ষ হলো বোর্ড এবং এর অধীন মূল্য সংযোজন কর দপ্তর এবং নিন্মবর্ণিত মূসক কর্মকর্তা সমন্বয়ে গঠিত কতৃর্পক্ষ:

(ক)     চীফ কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(খ)     কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(গ)     কমিশনার (আপিল), মূল্য সংযোজন কর;

(ঘ)     কমিশনার (বৃহৎ করদাতা ইউনিট), মূল্য সংযোজন কর;

(ঙ)     মহাপরিচালক, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল;

(চ)     মহাপরিচালক, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর;

(ছ)     অতিরিক্ত কমিশনার বা অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(জ)     যুগ্ম কমিশনার বা পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঝ)     উপ কমিশনার বা উপ-পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঞ)    সহকারী কমিশনার বা সহকারী পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(্‌ট)    রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর;

(ঠ)     সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর; এবং

(ড)     বোর্ড কর্তৃক নিয়োগকৃত অন্য কোনো কর্মকর্তা।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তা বলা হবে:

(ক)     চীফ কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(খ)     কমিশনার, মূল্য সংযোজন কর;

(গ)     কমিশনার (আপিল), মূল্য সংযোজন কর;

(ঘ)     কমিশনার (বৃহৎ করদাতা ইউনিট), মূল্য সংযোজন কর;

(ঙ)     মহাপরিচালক, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল;

(চ)     মহাপরিচালক, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর;

(ছ)     অতিরিক্ত কমিশনার বা অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(জ)     যুগ্ম কমিশনার বা পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঝ)     উপ কমিশনার বা উপ-পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(ঞ)    সহকারী কমিশনার বা সহকারী পরিচালক, মূল্য সংযোজন কর;

(্‌ট)    রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর;

(ঠ)     সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, মূল্য সংযোজন কর; এবং

(ড)     বোর্ড কর্তৃক নিয়োগকৃত অন্য কোনো কর্মকর্তা।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তার প্রধান কার্যাবলী হলো :

(ক)     কর আদায় এবং উহার হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম;

(খ)     এই আইন এবং উহার অধীন প্রণীত বিধি-বিধানের প্রয়োগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম; এবং

(গ)     এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বোর্ড কতৃর্ক প্রদত্ত অন্য যেকোন দায়িত্ব পালন বা কর্তব্য ও কার্যাবলী সম্পাদন।

উত্তর: বোর্ড, মূসক কতৃর্পক্ষের নীতি নির্ধারণী দায়িত্ব পালনসহ অন্যান্য সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করবেন। এ উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে ধারা ৭৯ অনুযায়ী মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তাগণ বোর্ডের অধীনে নিন্মবর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদন করবেন:

  • কর আদায় এবং উহার হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম;
  • এই আইন এবং উহার অধীন প্রণীত বিধি-বিধানের প্রয়োগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম; এবং
  • বোর্ড কতৃর্ক প্রদত্ত অন্য যেকোন দায়িত্ব পালন বা কর্তব্য ও কার্যাবলী সম্পাদন।

উত্তর: তাঁর উপর বোর্ড কতৃর্ক ন্যস্ত যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবেন। এছাড়াও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক তাঁর উপর অর্পিত যেকোন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন বা অধস্তন কর্মকর্তার যেকোন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবেন।

উত্তর: যে উদ্দেশ্যে রেকর্ড ও দলিলাদি জব্দ করা হয়েছিল তা নিষ্পন্ন হলে জব্দকৃত রেকর্ড বা দলিলাদি ফেরত দেওয়া যাবে।

অথবা, জব্দকৃত রেকর্ড বা দলিলাদির প্রতিলিপি দ্বারা যদি জব্দের উদ্দেশ্যে সাধিত হয় তাহলে প্রতিলিপি সংরক্ষণ করে মূল রেকর্ড বা দলিলাদি ফেরত দেওয়া যাবে।

উত্তর: জব্দকৃত পণ্য বা পণ্যবাহী যান যে উদ্দেশ্যে আটক করা হয়েছিল সে উদ্দেশ্যে সাধিত হলে জব্দকৃত পণ্য বা পণ্যবাহী যান ছাড় দেওয়া হবে। তবে যে উদ্দেশ্যে জব্দ করা হয়েছে তার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হলেও আটককৃত কর্মকর্তা বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তা প্রকৃত মালিকের ফরম মূসক-১২.৮ এ উক্ত যানবাহন ছাড়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং নিন্মবর্ণিত শর্তাবলী সন্তোষজনক সাপেক্ষে কমিশনারের অনুমোদনক্রমে জব্দকৃত পণ্য বা পণ্যবাহী যান ছাড় প্রদান করতে পারবেন।

  • পণ্য বা পণ্য বোঝাই যানবাহনের মালিক বা চালক ইতোপূর্বে অনুরূপ পণ্য পরিবহনের অংশগ্রহণ করেন নাই।
  • পণ্য বা পণ্য বোঝাই যানবাহন ছাড় প্রদান করার ফলে উক্ত যানবাহন সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের স্বার্থ ক্ষুণœ অথবা আলামত বিনষ্ট হবেনা।

শর্ত প্রতিপালন হলে ফরম মূসক ১২.৯ এ উক্ত পণ্য ও যানবাহনের এ প্রকৃত মালিকের মুচলেকা সাপেক্ষে উক্ত পণ্য বা যানবাহন ছাড় প্রদানের অনুমতি দেওয়া হবে।

উত্তর: আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অথবা আইনের ধারা ৯১ এর আওতায় নীরিক্ষার উদ্দেশ্যে অথবা আইনের ধারা ৯৫ এর আওতায় বকেয়া কর আদায়ের উদ্দেশ্যে ব্যাংক হিসাব অপরিচালনযোগ্য করা যাবে।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৮২ অনুযায়ী মূসক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনি প্রয়োজনে-

  • বাংলাদেশ পুলিশ পুলিশ;
  • বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ;
  • বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড;
  • বাংলাদেশ আনসার;
  • ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ;
  • আবগারি, শুল্ক ও আয়কর;
  • মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত দপ্তর;
  • সকল সরকারি কর্মকর্তা;
  • এবং সকল ব্যাংক কর্মকর্তা সহায়তা প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন।

মূসক কর্মকর্তা উল্লিখিত কোনো সদস্য, কর্তৃপক্ষ বা কর্মকর্তা বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে যেকোন ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব, ব্যাংক এ‍্যাকাউন্টের হিসাব বিবরণী, দলিলাদিসহ অন্য যেকোন তথ্য সরবরাহের অনুরোধ করলে তা সংশ্লিষ্ট সদস্য, কর্তৃপক্ষ বা কর্মকর্তা তা সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন।

উত্তর: সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার নিেন্ম নয় এমন যে কোনো মূসক কর্মকর্তা কমিশনারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে তল্লাশি চালাতে এবং এর রেকর্ডপত্র, নথিপত্র, দলিলাদি ও হিসাব পরীক্ষা ও জব্দ করতে পারবেন।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৮৫ অনুযায়ী ব্যর্থতা বা অনিয়মের ক্ষেত্র অনুসারে কমিশনার নিন্ম বর্ণিত উপায়ে জরিমানা আরোপ করতে পারবেন।

ক্র:নং ব্যর্থতা বা অনিয়ম জরিমানার পরিমাণ
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
নিবন্ধন বা টার্নওভার কর সনদপত্র যথাস্থানে প্রদর্শন না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কিত তথ্যের পরিবর্তন সম্পর্কে কমিশনারকে অবহিত না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি বাতিলের আবেদন না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
ধারা ৯(৫) এর বিধান পরিপালন না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মূসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
দাখিলপত্রে উৎপাদ করের কোন পরিমাণ অন্তর্ভুক্ত না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; অনুল্লেখিত উৎপাদ করের দ্বিগুণ;
দাখিলপত্রে প্রাপ্য উপকরণ করের রেয়াত অধিক গ্রহণ করিবার অনিয়ম; অনিয়মিতভাবে গৃহীত উপকরণ করের দ্বিগুণ;
দাখিলপত্রে  হ্রাসকারী সমন্বয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করিবার বা বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের পরিমাণ হ্রাস করিবার অনিয়ম; বর্ধিত  হ্রাসকারী সমন্বয়ের দ্বিগুণ বা হ্রাসকৃত বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের দ্বিগুণ;
১০ কর চালানপত্র, ক্রেডিট নোট, ডেবিট নোট, সমন্বিত কর চালানপত্র বা উৎসে কর কর্তন সনদপত্র প্রদান না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
১১ রেকর্ডপত্র নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
১২ নির্ধারিত জামানত প্রদান না করিবার ব্যর্থতা বা অনিয়ম; ১০ (দশ) হাজার টাকা মাত্র
১৩ আরোপিত কর নিরূপণ ও পরিশোধ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিহার বা পরিহারের চেষ্টা করিবার অনিয়ম; পরিহারকৃত করের দ্বিগুণ।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৮৯ অনুযায়ী তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধান সাপেক্ষে করদাতা হিসেবে আপনার সকল তথ্য মূসক কতৃর্পক্ষের কাছে গোপণ থাকবে।

উত্তর: যেকোনো ব্যক্তির অর্থনৈতিক কার্যক্রমের যাবতীয় বিষয়ে অডিট বা নিরীক্ষার ক্ষমতা মূসক কর্মকর্তার আছে।

উত্তর: কোনো করদাতা সম্পূরক শুল্ক ফাকির উদ্দেশ্যে এই আইনের বিধানবলী পরিপালন না করলে কমিশনার এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট স্থানে সরবরাহের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ ও নজরদারী করিতে পারবেন। এ ধরনের ব্যবস্থাকে তত্ত্বাবধানাধীন সরবরাহ বলা হয়।

উত্তর: শুধুমাত্র সম্পূরক শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে এই আইনের বিধানাবলী প্রতিপালন না করলে তত্ত্বাবধানাধীন সরবরাহ প্রযোজ্য। সম্পূরক শুল্ক নেই এমন কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধান প্রযোজ্য নয়।

উত্তর: তত্ত্বাবধানধীন সরবরাহ পরিচালনার জন্য কমিশনার এক বা একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমন্বয় আদেশ দ্বারা এক বা একাধিক দল গঠন করবেন। কমিশনার কতৃর্ক আদেশের তত্ত্বাবধানের স্থান, সময় এবং মেয়াদ নির্দিষ্ট করা থাকবে। তত্ত্বাবধানকারী দল তত্ত্বাবধান শুরুর পূর্বে সরবরাহ স্থান পরিদর্শন পূর্বক ফরম মূসক-১৩.১ এ কমিশনার নিকট একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

পরবতীর্তে প্রতিদিনের কার্যক্রম পরবতীর্ কার্যদিবসের মধ্যে ফরম মূসক-১৩.২ এ দৈনিক প্রতিবেদন এবং তত্ত্বাবধান মেয়াদ শেষে ফরম মূসক-১৩.৩ এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন কমিশনারের নিকট দাখিল করবেন।

উত্তর: অডিট প্রস্তুতির জন করদাতাকে প্রত্যেক করমেয়াদের দাখিলপত্র, ক্রয়-বিক্রয় হিসাব, কর চালানপত্র, ডেবিট নোট-ক্রেডিট নোট, সমন্বয় হিসাবসহ সকল হিসাবের দলিলাদি সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়াও অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংক্রান্ত অন্যান্য দলিলাদি যেমন: আমদানি-রপ্তানি হিসাব, বার্ষিক অডিট রিপোর্ট, ব্যাংক হিসাব ইত্যাদি নিয়মিত সংরক্ষণ করতে পারবেন।

উত্তর: ভবিষ্যৎ অডিটের জন্য আপনি আপনার পূর্ববর্তী অডিট সংক্রান্ত দলিলাদি বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যৎ অডিটের জন্য যে সময়ে আপনার কার্যক্রমের অডিট সম্পন্ন হয় নাই সেই সময়ের সকল কর হিসাবের দলিলাদি সংরক্ষণ করে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এ লক্ষ্যে উক্ত সময়ের দাখিলপত্র, ক্রয়-বিক্রয় হিসাব, কর চালান পত্র, ডেবিট নোট-ক্রেডিট নোট, সমন্বয় হিসাব, আমদানি-রপ্তানি হিসাব, বার্ষিক অডিট রিপোর্ট, ব্যাংক হিসাব ইত্যাদি ঠিক ভারে সংরক্ষণ করে অডিটের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন।

উত্তর: অডিটের সময় ব্যক্তির অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট সকল দলিলাদি, যেমন:

  • দাখিলপত্র;
  • করচালান পত্র;
  • ক্রয়-বিক্রয় হিসাব;
  • ডেবিট নোট, ক্রেডিট নোট;
  • সমন্বয় হিসাব;
  • আমদানি রপ্তানি হিসাব;
  • ব্যাংক হিসাব;

বার্ষিক অডিট রিপোর্টসহ ব্যবসায়ের প্রাসঙ্গিক সকল হিসাবের তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।

উত্তর: মূসক, সম্পূরক শুল্ক, টার্নওভার কর, সুদ, অর্থদণ্ড বা জরিমানা কোনো অর্থ করদাতা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে তাকে বকেয়া রাজস্ব বলে।

বকেয়া কর নিন্মবর্ণিতভাবে তৈরি হতে পারেÑ

  • দাখিলপত্রে প্রদেয় কর কোনো কারণে অপরিশোধিত থাকলে;
  • কমিশনার কতৃর্ক কর নির্ধারণ করা হলে, খেলাপি করদাতা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে;
  • আইনের অধীন কোনো কার্যক্রম নিষ্পত্তির ফলে বকেয়া কর উদ্ভূত হয়।

উত্তর: দাখিলপত্র প্রদানের পূর্বে কর পরিশোধ করতে হয়, তবে কমিশনার কতৃর্ক কর নির্ধারণ এবং আইনের অধীন কোনো কার্যক্রম নিষ্পত্তির ফলে উদ্ভূত কর নোটিশে উল্লিখিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে উক্ত কর বকেয়া কর হিসেবে বিবেচিত হবে।

উত্তর: কমিশনারের পক্ষে উজঙ (উবনঃ জবপড়াবৎু ঙভভরপবৎ) বকেয়া কর আদায়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। উজঙ হবেন ন‍্যূনতম উপ-কমিশনার পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তা।

উত্তর: নিেন্মবর্ণিত ক্ষেত্র হতে বকেয়া কর আদায় করা যাবেÑ

  • খেলাপি করদাতা কোনো অর্থ কোনো আয়কর, শুল্ক, মূসক বা আবগারি কতৃর্পক্ষের নিয়ন্ত্রাণাধীন থাকলে তা হতে;
  • খেলাপি করদাতা অর্থ অপর কোনো ব্যক্তি বা সহযোগী আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের নিকট জমা থাকলে তা হতে;
  • খেলাপি করদাতা যেকোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থাকলে তা বিক্রয় করে।

উত্তর: কমিশনারের পক্ষে উজঙ ফরম মূসক ১৪.১ এ খেলাপি করদাতা বরাবর বকেয়া কর আদায় সর্টিফিকেট জারি করবেন। পরবতীর্তে উজঙ নিন্মবর্ণিত কার্যক্রম গ্রহণ করে বকেয়া কর আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন:

  • খেলাপি করদাতার কোনো অর্থ কোনো আয়কর, শুল্ক, মূসক বা আবগারি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকলে, তা হতে বকেয়া কর কর্তন করে;
  • অপর কোনো ব্যক্তি বা সহযোগী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের নিকট থাকলে, উক্ত ব্যক্তি বা ব্যাংকে পরিশোধ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করে;
  • তার ব্যবসা অঙ্গন হতে কোনো পণ্য বা সেবার সরবরাহ বন্ধের আদেশ প্রদান করে;
  • তার আমদানিকৃত পণ্য খালাস বন্ধের লক্ষ্যে শুল্ক ভবনের বিল অব এন্ট্রি (Bill of Entry) প্রক্রিয়াকরণ সিস্টেমে ব্যবসা শনাক্তকরণ সংখ্যা বন্ধ (lock) করে;
  • তার ব্যাংক হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে অপরিচালনযোগ্য (freeze) করে;
  • তার করদাতার ব্যবসা অঙ্গন তালাবদ্ধ করে রাখার আদেশ প্রদান করে বা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তালাবদ্ধ করে;
  • তার যেকোনো স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক বা অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করে নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিক্রয়ের মাধ্যমে বকেয়া কর আদায় করে;
  • খেলাপি করদাতার কোনো জিম্মাদারের নিকট হইতে নির্ধারিত শর্ত ও পদ্ধতিতে জামানত গ্রহণ করে।

উত্তর: কমিশনার নির্ধারিত সময়সীমা, শর্ত ও পদ্ধতিতে বকেয়া কর কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, তবে বকেয়া কর পরিশোধের সময়সীমা ১২ (বার) মাসের অতিরিক্ত হবে না।

উত্তর: বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মূসক কতৃর্পক্ষ পাওনা অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উত্তর: রিসিভার হলো কোনো আইন বা আদালত কতৃর্ক নিয়োজিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যিনি আইন বা আদালতের নির্দেশক্রমে ও আওতায় কোনো সম্পত্তির রিসিভারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

উত্তর: কোনো রিসিভার এর দায়িত্ব হলো আইন বা আদালত কতৃর্ক নিয়োজিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো সম্পদের সাময়িক রক্ষণাবেক্ষণ করা।

উত্তর: বকেয়া কর সৃষ্টকালীনে কোনো কোম্পানি বা ব্যক্তি বা সম্পত্তি উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের পরিচালক বা উদ্যোক্তার যথাযথ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা এবং দক্ষতা প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে সকলে যৌথ ও ব্যক্তিগতভাবে উক্ত অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকবেন ।

উত্তর: কোনো করদাতার মৃত‍্যুর পর বা তার দেউলিয়াত্ব ঘোষণার পর তার অর্থনৈতিক কার্যক্রম তার সম্পত্তির ট্রাস্টি বা নির্বাহক দ্বারা পরিচালিত হলে উক্ত ট্রাস্টি বা নির্বাহকের কাছ থেকে বকেয়া কর আদায় করা হবে।

উত্তর: নিন্মবর্ণিত ক্রমানুসারে বিলিবন্টন হবে:

প্রথমত, প্রদেয় সুদের পরিমাণ পরিশোধ করে;

দ্বিতীয়ত, অর্থদণ্ড বা জরিমানার পরিমাণ পরিশোধ করে;

তৃতীয়ত, মূসক, সম্পূরক শুল্ক বা টার্নওভার করের পরিমাণ পরিশোধ করে;

 

তবে জব্দকৃত পণ্যের বিক্রয়লব্দ অর্থ হতে বকেয়া কর আদায় করা হলে আইনের ধারা ১০০ অনুযায়ী নিন্মবর্ণিত উপায়ে বিলিবণ্টন করতে হবে:

প্রথমত, পণ্য জব্দকরণ, সংরক্ষণ এবং বিক্রয়ের খরচাদি পরিশোধ করে;

দ্বিতীয়ত, যে পরিমাণ বকেয়া কর আদায়ের নিমিত্ত পণ্য জব্দ করা হইয়াছিল সেই পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে;

তৃতীয়ত, এই আইন দ্বারা রহিত আইনের অধীন প্রাপ্য যেকোনো কর পরিশোধ করে; এবং

চতুর্থত, অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, পণ্যের মালিককে ফেরত প্রদান করে।

উত্তর: রেকর্ডপত্র  বা দলিলাদি বলতে নিেন্মর বিষয়াদিকে বোঝাবে:

  • যে কোনো পণ্য, সেবা বা স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয়ের বিবরণী এবং সংশ্লিষ্ট চালানপত্র;
  • কর চালানপত্র, ক্রেডিট নোট-ডেবিট নোট, উৎসে কর কর্তন সনদপত্র, ইত্যাদি;
  • আমদানি বা রপ্তানি সংশ্লিষ্ট দলিলাদি;
  • রেয়াত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র;
  • সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য বা সেবা সংশ্লিষ্ট দলিলাদি;
  • দাখিলপত্র;
  • ট্রেজারি চালান; এবং
  • ব্যবসায় কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো দলিলাদি।

উত্তর: করদাতার করদায় এবং অন্যান্য দায়দেনা নিরূপণের সুবিধার্থে তার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক।

উত্তর: করদাতার করদায় এবং অন্যান্য দায়দেনা নিরূপণের জন্য ০৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

উত্তর: ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে করদাতাকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিবন্ধন সংশ্লিষ্ট প্রাঙ্গণে রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

উত্তর: নোটিশ জারির পদ্ধতি হলো:

  • যার জন্য নোটিশটি প্রযোজ্য তাকে বা তার প্রতিনিধিকে সাময়িক নোটিশ প্রদান করতে হবে;
  • ব্যক্তির সর্বশেষ জ্ঞাত বাংলাদেশের বাসস্থানে বা ব্যবসায়ের স্থানে প্রেরণ করতে হবে;
  • সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে;
  • ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রেরণ করতে হবে;
  • উপরের পদ্ধতিতে নোটিশ জারি না করা গেলে মূল্য সংযোজন কর কার্যাকরের নোটিশ বোর্ডে সাটিয়ে দিতে হবে;

বর্ণিত পদ্ধতির ন‍্যূনতম একটি পদ্ধতি অনুসরণ করলেই চলবে। তবে অধিকতর পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে।

উত্তর: আইন ও বিধিমালার বিধান অনুসরণ করে ইলেকট্রিক বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করা যাবে। এ জন্য বোর্ডের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন নেই।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী অপরাধ হলো ১১১,১১২,১১৩,১১৬ ও ১১৭ এ উল্লিখিত অপরাধ।

অপরাধসমূহ:

ধারা-১১১:  জাল বা ভুয়া মূসক নিবন্ধন সনদপত্র বা টার্নওভার কর সনদপত্র, কর চালান বা মূসক সংক্রান্ত দলিলাদি তৈরি করা।

ধারা-১১২- অসৎ উদ্দেশ্যে মূসক দলিলাদিতে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিকৃত।

ধারা-১১৩- প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।

ধারা- ১১৭- অপরাধে সহায়তাকারী।

উত্তর: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ১১১, ১১২ ও ১১৩ তে কোনো অপরাধের ধরণ অনুযায়ী দণ্ডের বিধান উল্লেখ করা হলো:

ধারা ১১১:

  • অসৎ উদ্দেশ্যে ভুয়া বা জাল মূসক নিবন্ধনপত্র, টার্নওভার কর সনদপত্র বা কর চালান এবং উৎসে কর্তন সনদপত্র তৈরি বা ব্যবহার করলে
  • ভুয়া ও জাল ক্রেডিট ও ডেবিট নোট তৈরি ও ব্যবহার করলে
  • কোনো উপায়ে কর ফাঁকি দিলে বা প্রাপ্য না হওয়ার সত্ত্বেও কর ফেরৎ দাবি করলে উক্ত ব্যক্তি

– এক বছর কারাদণ্ডের বা

– প্রদেয় করের সমপরিমাণ অর্থ দণ্ডে বা

– উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ধারা ১১২:

  • কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো মূসক কর্মকর্তা নিকট মিথ্যা বা বিভ্রান্ত কর তথ্য প্রদান করলে ঐ ব্যক্তি

– অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড বা

– প্রদেয় করের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডে বা

– উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ধারা ১১৩:

  • কোনো কর্মকর্তা আইন ও বিধি মোতাবেক তার দায়িত্ব পালনকালে যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন তাহলে অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ অপরাধের জন্য ঐ ব্যক্তি

– সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা

– কম পক্ষে দশ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা

– উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

তাছাড়া আইনের ধারা ১১৭, অনুযায়ী কোনো অপরাধ সহায়তা বা সহযোগিতা প্রদানকারীও অপরাধে সংগঠনকারী ন্যায় সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং দণ্ডিত হবেন।

উত্তর: মামলা দায়ের করার জন্য কমিশনার কতৃর্ক পূর্বানুমোদনের পূর্বে বা পরে অপরাধসমূহ বোর্ড কতৃর্ক নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্তসাপেক্ষে নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থাকে অপরাধের আপোষ রফা বলে।

আপোস রফার পদ্ধতি:

  • অভিযুক্ত ব্যক্তি বোর্ডে আপসরফার জন্য লিখিতভাবে আবেদন করবেন;
  • হলফনামার মাধ্যমে কমিশনার কতৃর্ক নির্ধারিত অভিযোগের সাথে সংশ্লিষ্ট কর পরিশোধ (কিস্তিতে) করার অঙ্গীকার করবেন; এবং
  • আপসরফা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যয় ব্যক্তিই বহন করবেন;
  • অভিযুক্ত ব্যক্তি ইতোপূর্বে একই ধরনের অপরাধ করলে বোর্ড কোনো মামলা আপসরফা করতে পারবে না;
  • বোর্ড আপোষরফার জন্য আবেদনকারী এবং সংশ্লিষ্ট কমিশনার ও অভিযোগ দাখিলকারী কর্মকর্তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান করবে।

উত্তর: কমিশনারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে সহকারী কমিশনারের পদমর্যাদার নিেন্ম নহে এমন কর্মকর্তা লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ফৌজদারি অপরাধের মামলা আদালতে দায়ের করবেন।

উত্তর: ফৌজধারি মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে মূসক কর্মকর্তাই উক্ত মামলার তদন্ত সম্পন্ন করবেন।

উত্তর: তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরম মূসক ১৬.১ এর মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগটি অবহিত করবেন এবং ১৫ দিনের মধ্যে উল্লিখিত জবানবন্দি প্রদানের জন্য অনুরোধ করবেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ফরম মূসক-১৬.২ ফরমে জবাব প্রদান করবেন।

মামলা গ্রহণের ৪ মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে কমিশনারের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের সময়সীমা ৩ মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারবেন।

উত্তর: আদেশ জারির ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করার বিধান আছে।

উত্তর: বোর্ড বা আপিলাত ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা সংক্ষুব্ধ কমিশনার বা মহাপরিচালক পদমর্যাদার নিেন্ম নহেন এমন মূসক কর্মকর্তা উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে  সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনে আবেদন করতে পারবেন।

উত্তর: আইনের আওতায় অতিরিক্ত কমিশনার বা নিন্ম পদধারী মূসক কর্মকর্তা কতৃর্ক গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা কোনো আদেশ দ্বারা কোনো করদাতা বা মূসক কর্মকর্তা সংক্ষুদ্ধ হইলে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত সিদ্ধান্ত বা আদেশ জারির ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে কমিশনার (আপিল) এর নিকট আপিল দায়ের করতে পারবেন।

উত্তর: অতিরিক্ত কমিশনার বা তৎনিন্ম পদধারী কর্মকর্তা কতৃর্ক গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রদত্ত কোনো আদেশ দ্বারা কোনো করদাতা সংক্ষুদ্ধ হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত বা আদেশ জারির ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনার (আপিল) এর নিকট আপিল করতে পারবেন।

উত্তর: না, নেই। তবে, ট্রাইব্যুনাল শুনানি গ্রহণের পর যুক্তিসঙ্গত মনে করলে কর অন্তবর্তীকালীন আদায়ের স্থগিতাদেশ প্রদান করতে পারবেন।

উত্তর: সমঝোতার ভিত্তিতে এডিআর বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি উপায়ে ব্যক্তি তাঁর মামলা নিষ্পত্তি করা যায়।

সমঝোতার ভিত্তিতে মামলা নিষ্পত্তি হলে সমঝোতার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি উত্থাপন করা যাবে না এবং কোনো বিষয় নিষ্পত্তি না হলে আইনের বিধান অনুযায়ী পুনরায় পূর্বের কার্যক্রম শুরু করা যায়।

বিকল্প বিরোধ  নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় কোনো বিষয়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হলে এ পন্থা অবলম্বনের জন্য ব্যয়িত সময়কাল আপিল দায়ের করার সময়সীমায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।

উত্তর: আপিলের ক্ষেত্রে অর্থ জমার বিধান হলো দাবিকৃত করের দশ শতাংশ বা দাবিকৃত কর না থাকলে আরোপিত জরিমানার দশ শতাংশ পরিমাণ অর্থ।

উত্তর: সিদ্ধান্ত বা আদেশ জারির ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে যথাযথ কতৃর্পক্ষের নিকট আপিল দায়ের করা যাবে।

উত্তর: না, রীট আপিল নয়। রীট এবং আপিল দুটি ভিন্ন শব্দ এবং এর সংজ্ঞাও ভিন্ন। মূল্য সংযোজন কর আইন ২০১২ এর ধারা ১২১ ও ১২২ এবং একই আইনের বিধি ৯৮ এ আপিল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

ধারা ১২১ ও ১২২ অনুযায়ী কোনো রায়ের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি বা মূসক কর্মকর্তা সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত আদেশ জারির ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে ক্ষেত্র মতে আপিল কমিশনারে বা আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারবেন। অতিরিক্ত কমিশনার বা তৎনিন্ম পদধারী মূসক কর্মকর্তা কতৃর্ক গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ দ্বারা কোনো করদাতা সংক্ষুদ্ধ হলে আপিল কমিশনারেটে এবং কমিশনার বা কমিশনার আপিল কতৃর্ক গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা মূসক কর্মকর্তা সংক্ষুব্ধ আপিলাত ট্রাইব্যুানালে আপিল করতে পারবেন।

অন্যদিকে রীট সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২-এর অধীন মৌলিক অধিকার খর্বের কারণে মাননীয় হাইকোর্টে দাখিল করা হয়।

উত্তর: বোর্ড বা আপিলাত ট্রাইবুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা কমিশনার বা মহাপরিচালকের পদমর্যাদার নিেন্ম নহেন এমন কোনো মূসক কর্মকর্তা উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশনের আবেদন দাখিল করতে পারবেন।

 

উত্তর: সহায়তাকারী হলেন:

ষ       মূল্য সংযোজন কর বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ যুগ্ম কমিশনার নিেন্ম নহে এইরূপ অবসরপ্রাপ্ত কোনো মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তা;

  • অতিরিক্ত জেলা জজের নিেন্ম নহেন এইরূপ অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;
  • মূল্য সংযোজন কর বিষয়ে ০৭ (সাত) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবী বা চার্টার্ড অ‍্যাকাউন্ট্যান্ট;
  • উপ-সচিবের নিেন্ম নহেন এইরূপ আইন ও লেজিসলেটিভ বিষয়ে দক্ষ ও অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;
  • ব্যবসার ক্ষেত্রে ন‍্যূনতম পনের বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও মূল্য সংযোজন কর বিষয়ে দক্ষ কোনো ব্যবসায়ী।
  • সহায়তাকারীর দায়িত্ব হলো:
  • সহায়তাকারী আবেদনকারী ও বিভাগীয় প্রতিনিধির সাথে আলোচনাক্রমে বিবেচ্য বিরোধের-

– নিষ্পত্তির বা সিদ্ধান্তের  বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা;

– বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি, কৌশল বা কাঠামো নির্ধারণ করা;

– বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষ্যে আলোচনা সভার স্থান, তারিখ ও সময় নির্ধারণ করা;

– উভয় পক্ষকে সময় উল্লেখসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করার জন্য লিখিতভাবে অবহিত করা;

  • সহায়তাকারী আবেদনকারী ও বিভাগীয় প্রতিনিধিকে বিরোধীয় বিষয়ে আইনানুগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সহায়তাকারী তালিকা প্রস্তুত করবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর ওয়েবসাইটে সহায়তাকারীর তালিকা পাওয়া যাবে।

উত্তর: করদাতা সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আগ্রহী হলে আপিল কমিশনারেট ও আপিলাত ট্রাইব্যুনালে বিদ্যমান মামলা ক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারবেন। তাছাড়া, রিট পিটিশন বা আপিল হিসাবে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বা আপিল বিভাগে বিচারাধীন বিরোধ নিষ্পত্তিও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা যাবে।

উত্তর: বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিন্মবর্ণিত অধিকার রয়েছেÑ

  • বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ক্ষেত্রে মনোনীত বিভাগীয় প্রতিনিধির সাথে নিযুক্ত সহায়তাকারীর তত্ত্বাবধানে স্বাধীনভাবে সমঝোতার আলোচেনা করা; এবং
  • বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় আবেদনকারী স্বয়ং অংশগ্রহণ করতে পারবেন। চাইলে কোনো পেশাদার উপদেষ্টাকেও মনোনীত করতে পারবেন।

উত্তর: হাইকোর্টে আপিল করা যাবে নিন্মবর্ণিত সময়েÑ

  • কোনো করদাতা যদি বোর্ড বা আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হলে;
  • কমিশনার বা মহাপরিচালকের নিেন্ম নন এমন কোনো মূসক কর্মকর্তা যদি বোর্ড বা আপিলাত ট্রাইব্যুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হলে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল বা রিভিশনের আবেদন দাখিল করতে পারবেন।